ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

ভারতে ৭০% পাওয়ার গ্রিডে সাইবার হামলা: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 551

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানি হ্যাকারদের সাইবার আঘাতে ভারতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের দাবি উঠেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম Geo News এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর প্রায় ৭০ শতাংশই এই সাইবার হামলার শিকার হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

এই ঘটনার জেরে ভারতের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। Times of India জানায়, জম্মু ও কাশ্মীরের দুটি জেলা সম্পূর্ণরূপে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে পাঞ্জাবের জলন্ধরে অজ্ঞাত একটি ড্রোন শনাক্ত হওয়ার পর এলাকাটিতে সতর্কতামূলকভাবে ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের অগ্রগতি

ভারতের অন্যতম বার্তা সংস্থা ANI জানায়, জম্মু সীমান্তবর্তী আকনূর অঞ্চলেও বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় চলছে। এটি কেবল প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং পরিকল্পিত সাইবার হামলার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Geo News-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই সাইবার আক্রমণের পেছনে পাকিস্তানের একাধিক হ্যাকার গ্রুপ সক্রিয় ছিল এবং তারা ভারতের পাওয়ার গ্রিড সিস্টেমে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেয়।

যদিও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য আসেনি, তবে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে নিরাপত্তা মহলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর একটি খাত এবং সেখানে সাইবার হামলার ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

এদিকে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ড্রোনের আনাগোনা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা—এই দুটি ঘটনার সময়সাম্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে নতুন করে সতর্কতা সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতাল, স্কুল, কল-কারখানা ও সরকারি দপ্তরগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি এখন দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত সাইবার নিরাপত্তার দিকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতে ৭০% পাওয়ার গ্রিডে সাইবার হামলা: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

পাকিস্তানি হ্যাকারদের সাইবার আঘাতে ভারতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের দাবি উঠেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম Geo News এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর প্রায় ৭০ শতাংশই এই সাইবার হামলার শিকার হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

এই ঘটনার জেরে ভারতের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। Times of India জানায়, জম্মু ও কাশ্মীরের দুটি জেলা সম্পূর্ণরূপে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে পাঞ্জাবের জলন্ধরে অজ্ঞাত একটি ড্রোন শনাক্ত হওয়ার পর এলাকাটিতে সতর্কতামূলকভাবে ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার, ১ এপ্রিল থেকে হবে কার্যকর

ভারতের অন্যতম বার্তা সংস্থা ANI জানায়, জম্মু সীমান্তবর্তী আকনূর অঞ্চলেও বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় চলছে। এটি কেবল প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং পরিকল্পিত সাইবার হামলার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Geo News-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই সাইবার আক্রমণের পেছনে পাকিস্তানের একাধিক হ্যাকার গ্রুপ সক্রিয় ছিল এবং তারা ভারতের পাওয়ার গ্রিড সিস্টেমে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেয়।

যদিও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য আসেনি, তবে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে নিরাপত্তা মহলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর একটি খাত এবং সেখানে সাইবার হামলার ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

এদিকে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ড্রোনের আনাগোনা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা—এই দুটি ঘটনার সময়সাম্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে নতুন করে সতর্কতা সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতাল, স্কুল, কল-কারখানা ও সরকারি দপ্তরগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি এখন দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত সাইবার নিরাপত্তার দিকে।