ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 56

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার বিরাজমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক মূল্যায়ন ও যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়। বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় ফ্রেন্ডশিপকে আরও বহুমাত্রিক রূপ দেওয়ার ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রেস সচিব আরও জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, শিক্ষা খাত, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অভিবাসনসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয় বৈঠকে। একই সাথে ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন পথ উন্মোচনের সুযোগ নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, ঐতিহাসিক এই মৈত্রী আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে এবং নতুন নতুন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ১০:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার বিরাজমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক মূল্যায়ন ও যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়। বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় ফ্রেন্ডশিপকে আরও বহুমাত্রিক রূপ দেওয়ার ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রেস সচিব আরও জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, শিক্ষা খাত, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অভিবাসনসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয় বৈঠকে। একই সাথে ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন পথ উন্মোচনের সুযোগ নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, ঐতিহাসিক এই মৈত্রী আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে এবং নতুন নতুন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।