ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 74

ছবি: সংগৃহীত

 

ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সেবা চালুর সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জনগণের কাছে সহজে ও নির্বিঘ্নে ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য। এই ব্যবস্থাপনাটিকে আরও আধুনিকায়ন ও সহজতর করে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য সরকার কাজ করছে। পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে, যাতে নাগরিকদের কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের বৈঠক সম্পন্ন

এর আগে সোমবার (১৮ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছিলেন, এই মেলার মূল লক্ষ্য হলো জনগণকে ভূমিসেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেবা প্রাপ্তির পথ সুগম করা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর।

এ বছর অনুষ্ঠিত ভূমিসেবা মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।’

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে অটোমেটেড ভূমিসেবা সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ভূমি অফিসে সশরীরে না গিয়েও ঘরে বসে কীভাবে নাগরিকেরা ডিজিটাল সেবা পেতে পারেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া। মেলা প্রাঙ্গণ থেকে সরাসরি বিভিন্ন ভূমিসেবা প্রদানের পাশাপাশি নাগরিকদের অটোমেটেড সিস্টেম ব্যবহারে এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে। এছাড়া মেলায় ভূমিসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।

তিন দিনব্যাপী এই ভূমিসেবা মেলাটি জাতীয় পর্যায়ে ঢাকার তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবন ছাড়াও দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং রাজস্ব সার্কেল পর্যায়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০১:৪০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

 

ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সেবা চালুর সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জনগণের কাছে সহজে ও নির্বিঘ্নে ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য। এই ব্যবস্থাপনাটিকে আরও আধুনিকায়ন ও সহজতর করে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য সরকার কাজ করছে। পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে, যাতে নাগরিকদের কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়।

আরও পড়ুন  ১৩,৮৫০ কোটি রুপি দুর্নীতির মামলায় বেলজিয়ামে ভারতীয় ব্যবসায়ী আটক

এর আগে সোমবার (১৮ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছিলেন, এই মেলার মূল লক্ষ্য হলো জনগণকে ভূমিসেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেবা প্রাপ্তির পথ সুগম করা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর।

এ বছর অনুষ্ঠিত ভূমিসেবা মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।’

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে অটোমেটেড ভূমিসেবা সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ভূমি অফিসে সশরীরে না গিয়েও ঘরে বসে কীভাবে নাগরিকেরা ডিজিটাল সেবা পেতে পারেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া। মেলা প্রাঙ্গণ থেকে সরাসরি বিভিন্ন ভূমিসেবা প্রদানের পাশাপাশি নাগরিকদের অটোমেটেড সিস্টেম ব্যবহারে এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে। এছাড়া মেলায় ভূমিসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।

তিন দিনব্যাপী এই ভূমিসেবা মেলাটি জাতীয় পর্যায়ে ঢাকার তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবন ছাড়াও দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং রাজস্ব সার্কেল পর্যায়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।