ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রীর গ্ৰামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রবাসী কার্ড চালুর লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন এখন দুই বছরে সৌদিতে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ঘুমের মধ্যে বিষধর সাপের ছোবল, সাপসহ হাসপাতালে নারী খুলনায় ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে মাকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রতিটি নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের

দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 57

ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দেশটির একটি আদালত তার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিচারকের আদেশ অনুযায়ী, গোমেজের বিদেশে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যদিও মামলার পূর্ণাঙ্গ বিচার কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিজের অবস্থানের প্রভাব ব্যবহার করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের সময় অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আরও পড়ুন  ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

তবে বেগোনা গোমেজ সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এ মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, বিরোধীরা সরকারকে চাপে ফেলতেই এই ইস্যুকে সামনে এনেছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের পর স্পেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক দল এ ঘটনাকে রাজনৈতিক ও বিচারিক হয়রানির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সরকারের সমালোচনা আরও জোরদার করে আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছে।

তদন্তের আওতায় থাকা আরও কয়েকজন ব্যক্তিকেও আদালতের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই মামলা স্পেনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

দুই বছর আগে একটি চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আদালতের সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দেশটির একটি আদালত তার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিচারকের আদেশ অনুযায়ী, গোমেজের বিদেশে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যদিও মামলার পূর্ণাঙ্গ বিচার কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিজের অবস্থানের প্রভাব ব্যবহার করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের সময় অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে পাতিলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তবে বেগোনা গোমেজ সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এ মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, বিরোধীরা সরকারকে চাপে ফেলতেই এই ইস্যুকে সামনে এনেছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের পর স্পেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক দল এ ঘটনাকে রাজনৈতিক ও বিচারিক হয়রানির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সরকারের সমালোচনা আরও জোরদার করে আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছে।

তদন্তের আওতায় থাকা আরও কয়েকজন ব্যক্তিকেও আদালতের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই মামলা স্পেনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

দুই বছর আগে একটি চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আদালতের সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।