ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

পিএসএলের ফাইনালেই শুধু দর্শক প্রবেশের অনুমতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 191

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরে দর্শকদের মাঠে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটল। তবে খুশির খবরের পাশাপাশি রয়েছে সীমাবদ্ধতাও। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ব্যাপক অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের বাকি ৮টি ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচটিই গ্যালারিতে বসে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। আগামী ৩ মে লাহোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফাইনালেই কেবল দর্শকদের জন্য স্টেডিয়ামের দুয়ার খোলা থাকবে।

মহসিন নাকভি তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের কাছে স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতির অনুমতি চেয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক ছিলেন, তবে দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী পদক্ষেপের কারণে তিনি কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের ক্রমাগত অনুরোধে শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচের জন্য বিধি-নিষেধ শিথিল করতে রাজি হন তিনি।

আরও পড়ুন  শেষ উইকেটের আক্ষেপে বাংলাদেশ, ফাইনাল হাতছাড়া

গত ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পিএসএলের এবারের আসরে ৮টি দলের অংশগ্রহণে মোট ৪৪টি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের ৬টি ভেন্যুতে। কিন্তু জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণ দেখিয়ে আসরটি কেবল লাহোর ও করাচিতে সীমাবদ্ধ করে পিসিবি। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দর্শকহীন গ্যালারিতে খেলা আয়োজন করায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আর্থিক লোকসান ও গ্ল্যামার হ্রাসের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল।

টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে এসে ফাইনাল ম্যাচে দর্শকদের অনুমতির সিদ্ধান্ত ক্রিকেটভক্তদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিলেও, বাকি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো শূন্য গ্যালারিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলতেই থাকছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পিএসএলের ফাইনালেই শুধু দর্শক প্রবেশের অনুমতি

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বব্যাপী চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরে দর্শকদের মাঠে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটল। তবে খুশির খবরের পাশাপাশি রয়েছে সীমাবদ্ধতাও। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ব্যাপক অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের বাকি ৮টি ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচটিই গ্যালারিতে বসে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। আগামী ৩ মে লাহোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফাইনালেই কেবল দর্শকদের জন্য স্টেডিয়ামের দুয়ার খোলা থাকবে।

মহসিন নাকভি তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের কাছে স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতির অনুমতি চেয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক ছিলেন, তবে দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী পদক্ষেপের কারণে তিনি কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের ক্রমাগত অনুরোধে শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচের জন্য বিধি-নিষেধ শিথিল করতে রাজি হন তিনি।

আরও পড়ুন  রিয়ালকে গুঁড়িয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে পিএসজি, ইতিহাসের হাতছানি

গত ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পিএসএলের এবারের আসরে ৮টি দলের অংশগ্রহণে মোট ৪৪টি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের ৬টি ভেন্যুতে। কিন্তু জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণ দেখিয়ে আসরটি কেবল লাহোর ও করাচিতে সীমাবদ্ধ করে পিসিবি। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দর্শকহীন গ্যালারিতে খেলা আয়োজন করায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আর্থিক লোকসান ও গ্ল্যামার হ্রাসের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল।

টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে এসে ফাইনাল ম্যাচে দর্শকদের অনুমতির সিদ্ধান্ত ক্রিকেটভক্তদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিলেও, বাকি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো শূন্য গ্যালারিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলতেই থাকছে।