ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 492

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন  গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন  ইরানের আরও দুই জেনারেল নিহত ইসরায়েলি হামলায়

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।