ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরল ইতালি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 48

ছবি: সংগৃহীত

বেলজিয়ামের বিপক্ষে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই তুরস্কের মুখোমুখি হয়েছিল ইতালি। সামনে ফ্রান্সের মতো কঠিন প্রতিপক্ষ থাকায় এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা ছিল দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে রবার্তো মানচিনির দল এবং শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তারা।

উয়েফা নেশনস লিগের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইতালি। দলের হয়ে গোল করেছেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি, মাইকেল কায়োদে ও ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো।

বেলজিয়ামের কাছে আগের ম্যাচে ২-০ গোলে হারা দলটিতে এবার একাদশে আটটি পরিবর্তন এনেছিলেন মানচিনি। নতুন সমন্বয়ে মাঠে নেমেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় ইতালি। পাশাপাশি তুরস্কের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই তিনবার জালে বল পাঠায় তারা।

আরও পড়ুন  তুরস্কে চার দশকের সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান, পিকেকে বিলুপ্ত ঘোষণা

৯ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে তুরস্কের রক্ষণ ভুল করলে সেই সুযোগ কাজে লাগান বাস্তোনি। জোরালো শটে তিনি ইতালিকে এগিয়ে দেন। এরপর ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফ্রাত্তেসি।

আর পাঁচ মিনিট পরেই নিজের অভিষেক ম্যাচে গোলের দেখা পান মাইকেল কায়োদে। তার গোলে সহায়তা করেন এসপোসিতো। তবে এর আগে ৪৭তম মিনিটে একটি গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিল তুরস্ক। ইতালির রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে বারিস ইলমাজ গোলটি করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় ইতালি। নিকোলো কামবিয়াঘির শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে পাওয়া বল মাথা দিয়ে জালে পাঠান এসপোসিতো। এই ম্যাচটি এসপোসিতোর জন্য আলাদা গুরুত্বও বহন করেছে। ইতালির জার্সিতে একই ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি ও তার ভাই সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতো। জাতীয় দলের হয়ে একই ম্যাচে দুই ভাইয়ের খেলার ঘটনা ইতালির ইতিহাসে এটি চতুর্থবার।

এর আগে ফিলিপ্পো ও সিমোনে ইনজাগি ২০০০ সালে দুইবার, আলদো ও লুইজি চেভেনিনি ১৯১৫ সালে একবার এবং জুসেপ্পে ও ফেলিচে মিলানো ১৯১২-১৩ মৌসুমে তিনবার একই ম্যাচে ইতালির হয়ে খেলেছিলেন।

শেষ দিকে তুরস্ক ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ইতালির নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারেনি। ৫৭তম মিনিটে ইলমাজ দ্বিতীয় গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে ইতালি।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরল ইতালি

আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেলজিয়ামের বিপক্ষে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই তুরস্কের মুখোমুখি হয়েছিল ইতালি। সামনে ফ্রান্সের মতো কঠিন প্রতিপক্ষ থাকায় এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা ছিল দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে রবার্তো মানচিনির দল এবং শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তারা।

উয়েফা নেশনস লিগের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইতালি। দলের হয়ে গোল করেছেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি, মাইকেল কায়োদে ও ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো।

বেলজিয়ামের কাছে আগের ম্যাচে ২-০ গোলে হারা দলটিতে এবার একাদশে আটটি পরিবর্তন এনেছিলেন মানচিনি। নতুন সমন্বয়ে মাঠে নেমেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় ইতালি। পাশাপাশি তুরস্কের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই তিনবার জালে বল পাঠায় তারা।

আরও পড়ুন  বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করবে ইতালি

৯ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে তুরস্কের রক্ষণ ভুল করলে সেই সুযোগ কাজে লাগান বাস্তোনি। জোরালো শটে তিনি ইতালিকে এগিয়ে দেন। এরপর ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফ্রাত্তেসি।

আর পাঁচ মিনিট পরেই নিজের অভিষেক ম্যাচে গোলের দেখা পান মাইকেল কায়োদে। তার গোলে সহায়তা করেন এসপোসিতো। তবে এর আগে ৪৭তম মিনিটে একটি গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিল তুরস্ক। ইতালির রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে বারিস ইলমাজ গোলটি করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় ইতালি। নিকোলো কামবিয়াঘির শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে পাওয়া বল মাথা দিয়ে জালে পাঠান এসপোসিতো। এই ম্যাচটি এসপোসিতোর জন্য আলাদা গুরুত্বও বহন করেছে। ইতালির জার্সিতে একই ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি ও তার ভাই সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতো। জাতীয় দলের হয়ে একই ম্যাচে দুই ভাইয়ের খেলার ঘটনা ইতালির ইতিহাসে এটি চতুর্থবার।

এর আগে ফিলিপ্পো ও সিমোনে ইনজাগি ২০০০ সালে দুইবার, আলদো ও লুইজি চেভেনিনি ১৯১৫ সালে একবার এবং জুসেপ্পে ও ফেলিচে মিলানো ১৯১২-১৩ মৌসুমে তিনবার একই ম্যাচে ইতালির হয়ে খেলেছিলেন।

শেষ দিকে তুরস্ক ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ইতালির নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারেনি। ৫৭তম মিনিটে ইলমাজ দ্বিতীয় গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে ইতালি।