ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফুটবলে চালু হলো ‘ব্ল্যাক কার্ড’, কখন দেখাবেন রেফারি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 40

ছবি সংগৃহীত

 

ফুটবলে অভিভাবক ও দর্শকদের অশোভন আচরণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো ‘ব্ল্যাক কার্ড’ চালু করেছে রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশন। গালাগালি, হুমকি, ধাক্কাধাক্কি কিংবা আপত্তিকর আচরণ বন্ধ না হলে এই কার্ড দেখিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশন নতুন এই নিয়ম কার্যকর করার কথা জানায়। কাতালান সংবাদপত্র ‘স্পোর্ট’-এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গোল ডট কম।

আরও পড়ুন  ১০ জনের ফ্রান্সের কাছে হারল ব্রাজিল

ফেডারেশন জানিয়েছে, ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে। এর লক্ষ্য হলো গ্যালারিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের অতিরিক্ত চাপ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা হতাশার প্রভাব থেকে শিশুদের দূরে রাখা।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দর্শক বা অভিভাবকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রেফারি প্রথমে সতর্ক করবেন। কোচদের মাধ্যমে গ্যালারির দর্শকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানানো হবে এবং মাইকেও সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এরপরও অশোভন আচরণ চলতে থাকলে ম্যাচ ১০ মিনিটের জন্য স্থগিত করা হবে। এ সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে পাঠানো হবে।

১০ মিনিট পর খেলা শুরু হলেও একই ধরনের আচরণ আবার হলে তৃতীয় সতর্কবার্তার পর রেফারি ‘ব্ল্যাক কার্ড’ দেখাতে পারবেন। তখন ম্যাচটি শেষ করে দেওয়া হবে এবং আর পুনরায় শুরু করা যাবে না। চতুর্থ রেফারি বা অন্য ম্যাচ কর্মকর্তারা থাকলে তারা এ সিদ্ধান্তে রেফারিকে সহায়তা করবেন।

নতুন বিধানে গালাগালি ও অপমানজনক মন্তব্যের পাশাপাশি শিশুদের মারধর বা ধাক্কা দেওয়া, নিজেদের দলের কোচিং স্টাফকে অপমান বা শারীরিকভাবে হেনস্তা করা এবং প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় বা কোচিং স্টাফের সঙ্গে এমন আচরণও শাস্তিযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ছাড়া রেফারি ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের বারবার অপমান বা চ্যালেঞ্জ করা, তাদের ওপর শারীরিক হামলা এবং অন্য অভিভাবক বা দর্শকদের সঙ্গে মৌখিক বা শারীরিক বিরোধে জড়ানোর ক্ষেত্রেও এই বিধান কার্যকর হবে।

রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ভাষ্য, ‘ব্ল্যাক কার্ড’ মূলত একটি বার্তা—গ্যালারির আচরণ যখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে শিশুদের নিরাপত্তা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুটবলে চালু হলো ‘ব্ল্যাক কার্ড’, কখন দেখাবেন রেফারি?

আপডেট সময় ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ফুটবলে অভিভাবক ও দর্শকদের অশোভন আচরণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো ‘ব্ল্যাক কার্ড’ চালু করেছে রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশন। গালাগালি, হুমকি, ধাক্কাধাক্কি কিংবা আপত্তিকর আচরণ বন্ধ না হলে এই কার্ড দেখিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশন নতুন এই নিয়ম কার্যকর করার কথা জানায়। কাতালান সংবাদপত্র ‘স্পোর্ট’-এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গোল ডট কম।

আরও পড়ুন  মেসির জাদুতে শেষ মুহূর্তে নাটকীয় ড্র, জয়ের খরা চলছেই মায়ামির

ফেডারেশন জানিয়েছে, ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে। এর লক্ষ্য হলো গ্যালারিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের অতিরিক্ত চাপ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা হতাশার প্রভাব থেকে শিশুদের দূরে রাখা।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দর্শক বা অভিভাবকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রেফারি প্রথমে সতর্ক করবেন। কোচদের মাধ্যমে গ্যালারির দর্শকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানানো হবে এবং মাইকেও সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এরপরও অশোভন আচরণ চলতে থাকলে ম্যাচ ১০ মিনিটের জন্য স্থগিত করা হবে। এ সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে পাঠানো হবে।

১০ মিনিট পর খেলা শুরু হলেও একই ধরনের আচরণ আবার হলে তৃতীয় সতর্কবার্তার পর রেফারি ‘ব্ল্যাক কার্ড’ দেখাতে পারবেন। তখন ম্যাচটি শেষ করে দেওয়া হবে এবং আর পুনরায় শুরু করা যাবে না। চতুর্থ রেফারি বা অন্য ম্যাচ কর্মকর্তারা থাকলে তারা এ সিদ্ধান্তে রেফারিকে সহায়তা করবেন।

নতুন বিধানে গালাগালি ও অপমানজনক মন্তব্যের পাশাপাশি শিশুদের মারধর বা ধাক্কা দেওয়া, নিজেদের দলের কোচিং স্টাফকে অপমান বা শারীরিকভাবে হেনস্তা করা এবং প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় বা কোচিং স্টাফের সঙ্গে এমন আচরণও শাস্তিযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ছাড়া রেফারি ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের বারবার অপমান বা চ্যালেঞ্জ করা, তাদের ওপর শারীরিক হামলা এবং অন্য অভিভাবক বা দর্শকদের সঙ্গে মৌখিক বা শারীরিক বিরোধে জড়ানোর ক্ষেত্রেও এই বিধান কার্যকর হবে।

রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ভাষ্য, ‘ব্ল্যাক কার্ড’ মূলত একটি বার্তা—গ্যালারির আচরণ যখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে শিশুদের নিরাপত্তা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।