ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

২০০৬ বিশ্বকাপ দুর্নীতি: জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 462

ছবি সংগৃহীত

 

২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে কর ফাঁকি ও আর্থিক জালিয়াতির মামলায় জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি)-কে জরিমানা করেছে জার্মানির একটি আদালত। আদালতের রায় অনুযায়ী, ডিএফবিকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা গুনতে হবে। তবে মামলার দীর্ঘ মেয়াদ বিবেচনায় ২০ হাজার ইউরো মওকুফ করা হয়েছে।

এই মামলার পটভূমিতে রয়েছে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনে ডিএফবির ৬৭ লাখ ইউরো পরিশোধ সংক্রান্ত বিতর্ক। ডিএফবি দাবি করেছিল, অর্থটি বিশ্বকাপের গালা অনুষ্ঠানের ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এমন কোনো অনুষ্ঠানই অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন  মেডিকেল টেন্ডার দুর্নীতিতে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তদন্তে উঠে এসেছে, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে ১৭ কোটি ইউরো পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্জনের লক্ষ্যে এই অর্থ প্রদান করা হয়েছিল। আয়োজক কমিটির মাধ্যমে এই অর্থ আদান-প্রদানের পরিকল্পনা করেন ডিএফবির তৎকালীন কর্মকর্তারা। উল্লেখযোগ্যভাবে, অর্থটি পরোক্ষভাবে ফিফার মাধ্যমে জার্মানির ক্রীড়া সরঞ্জাম নির্মাতা অ্যাডিডাসের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী রবার্ট লুই-ড্রেফাসকে প্রদান করা হয়।

মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় ডিএফবির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যদিও ডিএফবি বারবার এই অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে সাফাই দিয়েছে, আদালত সেটি গ্রহণ করেনি। ফলে তাদের জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

এই ঘটনায় জার্মান ফুটবলের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সৃষ্টি হয়েছে প্রশ্ন। বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আয়োজনকে ঘিরে এমন দুর্নীতির অভিযোগ শুধু ডিএফবির ওপর নয়, বরং গোটা ফুটবল ব্যবস্থাপনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

ডিএফবি যদিও আপাতত এই রায় মেনে নিয়েছে, তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে আরও কঠোর ও স্বচ্ছ নীতি গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরগুলো নিয়েই জনমনে সন্দেহ থেকে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০০৬ বিশ্বকাপ দুর্নীতি: জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা

আপডেট সময় ০১:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে কর ফাঁকি ও আর্থিক জালিয়াতির মামলায় জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি)-কে জরিমানা করেছে জার্মানির একটি আদালত। আদালতের রায় অনুযায়ী, ডিএফবিকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা গুনতে হবে। তবে মামলার দীর্ঘ মেয়াদ বিবেচনায় ২০ হাজার ইউরো মওকুফ করা হয়েছে।

এই মামলার পটভূমিতে রয়েছে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনে ডিএফবির ৬৭ লাখ ইউরো পরিশোধ সংক্রান্ত বিতর্ক। ডিএফবি দাবি করেছিল, অর্থটি বিশ্বকাপের গালা অনুষ্ঠানের ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এমন কোনো অনুষ্ঠানই অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন  গণতান্ত্রিক বিশ্ব আওয়ামী লীগের দুর্নীতির পাশে দাঁড়াবে না: প্রেস সচিব

তদন্তে উঠে এসেছে, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে ১৭ কোটি ইউরো পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্জনের লক্ষ্যে এই অর্থ প্রদান করা হয়েছিল। আয়োজক কমিটির মাধ্যমে এই অর্থ আদান-প্রদানের পরিকল্পনা করেন ডিএফবির তৎকালীন কর্মকর্তারা। উল্লেখযোগ্যভাবে, অর্থটি পরোক্ষভাবে ফিফার মাধ্যমে জার্মানির ক্রীড়া সরঞ্জাম নির্মাতা অ্যাডিডাসের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী রবার্ট লুই-ড্রেফাসকে প্রদান করা হয়।

মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় ডিএফবির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যদিও ডিএফবি বারবার এই অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে সাফাই দিয়েছে, আদালত সেটি গ্রহণ করেনি। ফলে তাদের জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

এই ঘটনায় জার্মান ফুটবলের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সৃষ্টি হয়েছে প্রশ্ন। বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আয়োজনকে ঘিরে এমন দুর্নীতির অভিযোগ শুধু ডিএফবির ওপর নয়, বরং গোটা ফুটবল ব্যবস্থাপনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

ডিএফবি যদিও আপাতত এই রায় মেনে নিয়েছে, তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে আরও কঠোর ও স্বচ্ছ নীতি গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরগুলো নিয়েই জনমনে সন্দেহ থেকে যাবে।