ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

রূপকথার রাতে রিয়ালকে উড়িয়ে সেমিতে এক পা আর্সেনালের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 302

ছবি সংগৃহীত

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক জাদুকরী রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ঘটলো অবিশ্বাস্য এক কাহিনি। ইউরোপের পরাক্রমশালী রিয়াল মাদ্রিদকে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে রাখলো ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল। আর এই জয়ের মঞ্চে উজ্জ্বল নায়ক হয়ে উঠলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস।

ম্যাচ শুরুর আগেই উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতার হুংকার “তোমাদের গলায় যেন আগুন থাকে!” সেই আগুন যেন মাঠেও ছড়িয়ে পড়ে প্রথম বাঁশি থেকেই। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে লন্ডনের ক্লাবটি।

আরও পড়ুন  দেম্বেলে–দোন্নারুম্মা জাদুতে আর্সেনালকে হারিয়ে ফাইনালের পথে পিএসজি

প্রথমার্ধে গোলের দেখা না মিললেও রিয়ালের কোনো কার্যকর জবাব ছিল না। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি চেষ্টা পোস্টের বাইরে চলে যায় যেটুকুই ছিল তাদের প্রথমার্ধের প্রাপ্তি।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নামে এক ভিন্ন আর্সেনাল। ৫৮তম মিনিটে রাইসের বাঁকানো ফ্রি-কিক যেন আকাশ থেকে ছুটে আসা বিদ্যুৎ। রিয়ালের দেওয়াল কিংবা কোর্তোয়া কেউই কিছু করতে পারেননি গোলপোস্টের জালে কেবল ধাক্কা খাওয়া বল আর গর্জে ওঠা গ্যালারি।

এর ঠিক বারো মিনিট পর আবারও সেই রাইস, আবারও এক নিখুঁত ফ্রি-কিক। এবার বল জায়গা খুঁজে নেয় বারপোস্টের ডান কোণে। এক মুহূর্তে স্টেডিয়াম জুড়ে বিস্ময় আর উল্লাসের ঝড়।

৭৫তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর দুর্দান্ত শটে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-০। হতচকিত রিয়াল কিছুতেই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে হতাশা আরো গাঢ় হয় ক্যামাভিঙ্গার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায়।

২০০৮-০৯ মৌসুমের পর আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দোরগোড়ায় আর্সেনাল। যদিও ফিরতি লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তাদের অপেক্ষায় আরও এক কঠিন পরীক্ষা। তবে এই রূপকথার রাত লন্ডনের ক্লাবটির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

রূপকথার রাতে রিয়ালকে উড়িয়ে সেমিতে এক পা আর্সেনালের

আপডেট সময় ০৯:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক জাদুকরী রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ঘটলো অবিশ্বাস্য এক কাহিনি। ইউরোপের পরাক্রমশালী রিয়াল মাদ্রিদকে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে রাখলো ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল। আর এই জয়ের মঞ্চে উজ্জ্বল নায়ক হয়ে উঠলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস।

ম্যাচ শুরুর আগেই উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতার হুংকার “তোমাদের গলায় যেন আগুন থাকে!” সেই আগুন যেন মাঠেও ছড়িয়ে পড়ে প্রথম বাঁশি থেকেই। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে লন্ডনের ক্লাবটি।

আরও পড়ুন  এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত ম্যানচেস্টার সিটি, শেষ ষোলোতে রিয়াল

প্রথমার্ধে গোলের দেখা না মিললেও রিয়ালের কোনো কার্যকর জবাব ছিল না। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি চেষ্টা পোস্টের বাইরে চলে যায় যেটুকুই ছিল তাদের প্রথমার্ধের প্রাপ্তি।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নামে এক ভিন্ন আর্সেনাল। ৫৮তম মিনিটে রাইসের বাঁকানো ফ্রি-কিক যেন আকাশ থেকে ছুটে আসা বিদ্যুৎ। রিয়ালের দেওয়াল কিংবা কোর্তোয়া কেউই কিছু করতে পারেননি গোলপোস্টের জালে কেবল ধাক্কা খাওয়া বল আর গর্জে ওঠা গ্যালারি।

এর ঠিক বারো মিনিট পর আবারও সেই রাইস, আবারও এক নিখুঁত ফ্রি-কিক। এবার বল জায়গা খুঁজে নেয় বারপোস্টের ডান কোণে। এক মুহূর্তে স্টেডিয়াম জুড়ে বিস্ময় আর উল্লাসের ঝড়।

৭৫তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর দুর্দান্ত শটে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-০। হতচকিত রিয়াল কিছুতেই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে হতাশা আরো গাঢ় হয় ক্যামাভিঙ্গার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায়।

২০০৮-০৯ মৌসুমের পর আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দোরগোড়ায় আর্সেনাল। যদিও ফিরতি লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তাদের অপেক্ষায় আরও এক কঠিন পরীক্ষা। তবে এই রূপকথার রাত লন্ডনের ক্লাবটির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।