ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত; সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস দিল্লিতে জয়শঙ্কর-খলিলুর বৈঠক: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ঘোষণা আল্লু অর্জুনের বাড়ির সামনে তুলকালাম, ভিড় সামলাতে পুলিশের লাঠিচার্জ রাজশাহী মেডিকেলে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান সুরক্ষিত সকল প্রাণ আগামীকাল থেকে ৪ দিন ইন্টারনেটে ধীরগতির শঙ্কা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ঘোষণা বিএসসিপিএলসির ‘বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’: সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ মা হারালেন অভিনেত্রী জেরিন খান সেন্ট কিটস ও নেভিস ছোট দ্বীপ, বড় সৌন্দর্য শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 402

ছবি: সংগৃহীত

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  আজ ডাকসু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  গণভোটের ব্যালট ফেলবেন কোন বাক্সে, জানেন কি?

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।