ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত; সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 142

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। এই আইনের ফলে জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে জড়িত কারোর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা করার সুযোগ আর থাকছে না।

পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আগে থেকে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা অবিলম্বে প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো। আইনটি কার্যকর হওয়ার পর নির্ধারিত আইনি বিধান অনুসরণ করে এই সংক্রান্ত সব অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রায় ৮ বছর পর সম্মুখ দেখা হলো মা-ছেলের।

বিলে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা দায়ের বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি জুলাই যোদ্ধাদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী আইনি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আইনিভাবে চূড়ান্ত ভিত্তি পেল।

নতুন এই সংশোধনীতে সরকারের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলা হয়েছে যে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি এখন থেকে যেকোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও ‘সন্ত্রাসে জড়িত’ থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পূর্ণ ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকবে। ফলে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার আইনি সুযোগ আর থাকছে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বিলটি পাসের সময় জানান, জুলাই মাসের রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করতে এবং বিপ্লবীদের হয়রানি থেকে বাঁচাতে এই আইনটি অপরিহার্য ছিল। পাশাপাশি দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত; সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস

আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। এই আইনের ফলে জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে জড়িত কারোর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা করার সুযোগ আর থাকছে না।

পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আগে থেকে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা অবিলম্বে প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো। আইনটি কার্যকর হওয়ার পর নির্ধারিত আইনি বিধান অনুসরণ করে এই সংক্রান্ত সব অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রায় ৮ বছর পর সম্মুখ দেখা হলো মা-ছেলের।

বিলে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা দায়ের বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি জুলাই যোদ্ধাদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী আইনি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আইনিভাবে চূড়ান্ত ভিত্তি পেল।

নতুন এই সংশোধনীতে সরকারের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলা হয়েছে যে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি এখন থেকে যেকোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও ‘সন্ত্রাসে জড়িত’ থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পূর্ণ ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকবে। ফলে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার আইনি সুযোগ আর থাকছে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বিলটি পাসের সময় জানান, জুলাই মাসের রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করতে এবং বিপ্লবীদের হয়রানি থেকে বাঁচাতে এই আইনটি অপরিহার্য ছিল। পাশাপাশি দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।