ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

জাতীয় ঐকমত্য আলোচনায় দ্বিতীয় দিনে জামায়াতের অংশগ্রহণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 211

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের (ন্যাশনাল কনসেন্সাস কমিশন) দ্বিতীয় ধাপের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম।

বুধবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ আলোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন  বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ ৩০ দলের অংশগ্রহণে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শুরু

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ জুন) শুরু হওয়া প্রথম দিনের আলোচনায় জামায়াতের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। তবে আজ দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনায় অংশ নেয়।

কমিশনের আজকের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি এবং জেলা সমন্বয় কাউন্সিল গঠন।

বৈঠকের শুরুতেই ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “জুলাই মাসের মধ্যেই জাতীয় সনদের খসড়া প্রস্তুত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন। দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি সমন্বিত ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরিই আমাদের উদ্দেশ্য।”

প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই কমিশন গঠিত হয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন প্রস্তাবনা উত্থাপন করে এবং সংবিধানগত কাঠামো ও নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়।

কমিশনের সদস্যরা জানান, সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি টেকসই রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠন করাই এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার। আলোচনায় যে প্রস্তাবনা আসছে, তা বিশ্লেষণ করে শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করা হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলো নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চলবে এবং আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে বড় পরিসরে একটি সমন্বিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্য আলোচনায় দ্বিতীয় দিনে জামায়াতের অংশগ্রহণ

আপডেট সময় ০৩:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের (ন্যাশনাল কনসেন্সাস কমিশন) দ্বিতীয় ধাপের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম।

বুধবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ আলোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন  ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরিতে সবাইকে ছাড় দিতে হবে: ড. আলী রীয়াজ

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ জুন) শুরু হওয়া প্রথম দিনের আলোচনায় জামায়াতের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। তবে আজ দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনায় অংশ নেয়।

কমিশনের আজকের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি এবং জেলা সমন্বয় কাউন্সিল গঠন।

বৈঠকের শুরুতেই ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “জুলাই মাসের মধ্যেই জাতীয় সনদের খসড়া প্রস্তুত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন। দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি সমন্বিত ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরিই আমাদের উদ্দেশ্য।”

প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই কমিশন গঠিত হয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন প্রস্তাবনা উত্থাপন করে এবং সংবিধানগত কাঠামো ও নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়।

কমিশনের সদস্যরা জানান, সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি টেকসই রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠন করাই এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার। আলোচনায় যে প্রস্তাবনা আসছে, তা বিশ্লেষণ করে শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করা হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলো নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চলবে এবং আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে বড় পরিসরে একটি সমন্বিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।