ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরিতে এক মাস সময় দাবি করল বিএনপি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 603

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ও সরকারের অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে সরকার কোনো ইতিবাচক সাড়া না দিলে জুলাই থেকে কঠোর আন্দোলন শুরু করবে বিএনপি।

দলটির নীতিনির্ধারক নেতারা জানান, জুন মাসজুড়ে কোনো বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে না। বরং তারা সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের জন্য সময় দেবে। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, “আমরা চাই সরকার নিজের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করুক। যদি না করে, তাহলে জুলাইয়ে রাজপথে ফিরব।”

আরও পড়ুন  নির্বাচন বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত, তবে প্রয়োজন সংস্কারগুলো সম্পন্ন করা: ইইউ রাষ্ট্রদূত

আগামী ৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহা, ফলে ঈদের আগ পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিচ্ছে না বিএনপি। ঈদের পর জুলাই ও আগস্টে ধারাবাহিক কর্মসূচি আসবে বলে দলটির দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনের জন্য আমাদের কার্যক্রম চলতে থাকবে। সামনে আরও কর্মসূচি থাকবে।”

আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করব এবং জাতির সামনে উপস্থাপন করব। আমরা আরও কিছু সময় অপেক্ষা করব, যাতে সরকারের বিবেচনাবোধ জাগে।”

গত বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিএনপির শীর্ষ নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, জাতীয় নির্বাচন এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে হবে। দলটি সেই লক্ষ্যে আন্দোলন ও কূটনৈতিক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মনে করছে, জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং তখন সরকারকেও সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা যাবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি রূপরেখা ঘোষণা করতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। কিন্তু বিএনপি তা প্রত্যাখ্যান করে এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন দাবি করে আসছে।

দলটির নেতারা বিশ্বাস করেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন প্রয়োজন, এবং এর বাইরে কোনো ব্যবস্থা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পরিপন্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরিতে এক মাস সময় দাবি করল বিএনপি

আপডেট সময় ০১:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ও সরকারের অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে সরকার কোনো ইতিবাচক সাড়া না দিলে জুলাই থেকে কঠোর আন্দোলন শুরু করবে বিএনপি।

দলটির নীতিনির্ধারক নেতারা জানান, জুন মাসজুড়ে কোনো বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে না। বরং তারা সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের জন্য সময় দেবে। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, “আমরা চাই সরকার নিজের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করুক। যদি না করে, তাহলে জুলাইয়ে রাজপথে ফিরব।”

আরও পড়ুন  সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

আগামী ৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহা, ফলে ঈদের আগ পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিচ্ছে না বিএনপি। ঈদের পর জুলাই ও আগস্টে ধারাবাহিক কর্মসূচি আসবে বলে দলটির দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনের জন্য আমাদের কার্যক্রম চলতে থাকবে। সামনে আরও কর্মসূচি থাকবে।”

আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করব এবং জাতির সামনে উপস্থাপন করব। আমরা আরও কিছু সময় অপেক্ষা করব, যাতে সরকারের বিবেচনাবোধ জাগে।”

গত বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিএনপির শীর্ষ নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, জাতীয় নির্বাচন এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে হবে। দলটি সেই লক্ষ্যে আন্দোলন ও কূটনৈতিক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মনে করছে, জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং তখন সরকারকেও সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা যাবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি রূপরেখা ঘোষণা করতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। কিন্তু বিএনপি তা প্রত্যাখ্যান করে এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন দাবি করে আসছে।

দলটির নেতারা বিশ্বাস করেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন প্রয়োজন, এবং এর বাইরে কোনো ব্যবস্থা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পরিপন্থী।