ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 384

ছবি: সংগৃহীত

 

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘ সাত বছর পর তার বর্ধিত সভা আয়োজন করছে। জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভা রাতে দুই অধিবেশনে সম্পন্ন হবে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দলের নির্বাচনী কৌশল ও আন্দোলন সম্পর্কে তৃণমূল নেতাদের মতামত নেওয়া হবে। এই সভা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, তাদের কর্মপরিসর এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি চিত্র উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহে রাজনৈতিক উত্তেজনা: সংঘর্ষে আহত বিএনপি কর্মীর মৃত্যু, এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিবরা এই সভায় বক্তব্য দেবেন। তারা দলের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করবেন, যার মাধ্যমে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণ হবে।

সভায় বিএনপি পরিবার ‘আস্থা’ নামক একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করবে। তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে তৃণমূল নেতারা নিজেদের মতামত পেশ করবেন। সভার সমাপনীতে তারেক রহমান আবারও বক্তৃতা দেবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভায় যেসব নেতা অংশ নেবেন, তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন এবং পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে নির্বাচনী প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও, সভায় বিএনপির ১১টি সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন। এটি বিএনপির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে দলের ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

আপডেট সময় ১১:৩১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘ সাত বছর পর তার বর্ধিত সভা আয়োজন করছে। জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভা রাতে দুই অধিবেশনে সম্পন্ন হবে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দলের নির্বাচনী কৌশল ও আন্দোলন সম্পর্কে তৃণমূল নেতাদের মতামত নেওয়া হবে। এই সভা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, তাদের কর্মপরিসর এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি চিত্র উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিবরা এই সভায় বক্তব্য দেবেন। তারা দলের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করবেন, যার মাধ্যমে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণ হবে।

সভায় বিএনপি পরিবার ‘আস্থা’ নামক একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করবে। তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে তৃণমূল নেতারা নিজেদের মতামত পেশ করবেন। সভার সমাপনীতে তারেক রহমান আবারও বক্তৃতা দেবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভায় যেসব নেতা অংশ নেবেন, তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন এবং পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে নির্বাচনী প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও, সভায় বিএনপির ১১টি সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন। এটি বিএনপির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে দলের ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।