ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সরকারের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পচন ধরেছে: বিএনপির মহাসমাবেশে মির্জা আব্বাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 521

ছবি: সংগৃহীত

 

সরকারের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পচন ধরেছে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, “এই সরকার যদি আরও কিছুদিন থাকে, তবে আওয়ামী লীগ যা করেছে, তার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।”

বুধবার (২৮ মে) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  খন্দকার মোশাররফের নেতৃত্বে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল

মির্জা আব্বাস বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সরকার বলা হলেও, আমরা তাদের কাছ থেকে আস্থা তো দূরের কথা, পেয়েছি কেবল অবজ্ঞা। এ সরকার দেশবাসীর নয়, অধিকাংশ সদস্যই এই দেশের নাগরিক বলেও মনে হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “তারুণ্যের এই মহাসমাবেশ একটি শক্ত বার্তা দিচ্ছে। এটি আমাদের আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। বর্তমান সরকার একটি উপনিবেশিক আচরণকারী সরকারে পরিণত হয়েছে। তারা ৯ মাসে কিছুই করতে পারেনি, ৯ বছরেও পারবে না, এমনকি ৯০ বছরেও না।”

সরকারের করিডর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা করিডরের লাভ-লোকসান দেখতে চাই না। আমরা যেমন ছিলাম তেমনই থাকতে চাই। নিউমুরিং টার্মিনাল আবারও হস্তান্তর করতে চাচ্ছেন—জনগণকে এতটা বোকা ভাববেন না। স্টারলিংক এনেছেন কাদের জন্য? আরাকান আর্মির জন্য? করিডর বানানো হচ্ছে কী কারণে? এসবের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু আমরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন দিতে প্রস্তুত।”

এই মহাসমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। এতে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ফরিদপুর বিভাগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পচন ধরেছে: বিএনপির মহাসমাবেশে মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ০৬:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

সরকারের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পচন ধরেছে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, “এই সরকার যদি আরও কিছুদিন থাকে, তবে আওয়ামী লীগ যা করেছে, তার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।”

বুধবার (২৮ মে) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের নাম যুক্ত করে ত্রয়োদশ সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত

মির্জা আব্বাস বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সরকার বলা হলেও, আমরা তাদের কাছ থেকে আস্থা তো দূরের কথা, পেয়েছি কেবল অবজ্ঞা। এ সরকার দেশবাসীর নয়, অধিকাংশ সদস্যই এই দেশের নাগরিক বলেও মনে হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “তারুণ্যের এই মহাসমাবেশ একটি শক্ত বার্তা দিচ্ছে। এটি আমাদের আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। বর্তমান সরকার একটি উপনিবেশিক আচরণকারী সরকারে পরিণত হয়েছে। তারা ৯ মাসে কিছুই করতে পারেনি, ৯ বছরেও পারবে না, এমনকি ৯০ বছরেও না।”

সরকারের করিডর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা করিডরের লাভ-লোকসান দেখতে চাই না। আমরা যেমন ছিলাম তেমনই থাকতে চাই। নিউমুরিং টার্মিনাল আবারও হস্তান্তর করতে চাচ্ছেন—জনগণকে এতটা বোকা ভাববেন না। স্টারলিংক এনেছেন কাদের জন্য? আরাকান আর্মির জন্য? করিডর বানানো হচ্ছে কী কারণে? এসবের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু আমরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন দিতে প্রস্তুত।”

এই মহাসমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। এতে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ফরিদপুর বিভাগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকে।