ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

শীর্ষ আদালতে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / 409

ছবি সংগৃহীত

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করে আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের খালাস: নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা

এর আগে গত ৮ মে এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। আপিলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রায়হান উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক এবং প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

পরে রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। ২০২০ সালের ১৯ জুলাই দাখিল করা এই রিভিউ আবেদনের শুনানি হয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সর্বোচ্চ আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে তাকে পুনরায় আপিলের সুযোগ দেন এবং শুনানির জন্য ২২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন।

আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এর মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) জমা দিতে হবে। ধারাবাহিক শুনানির অংশ হিসেবে ২২ এপ্রিল এবং ৬ মে মামলার শুনানি হয়। পরে ৮ মে চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন, যা আজ ঘোষণা করা হলো।

এই রায়ের মাধ্যমে এক যুগব্যাপী আইনি লড়াইয়ের পর জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালাস পেলেন।

এ রায় নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এমন গুরুত্বপূর্ণ রায় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে বিশেষ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ আদালতে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

আপডেট সময় ১১:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করে আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের খালাস: নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা

এর আগে গত ৮ মে এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। আপিলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রায়হান উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক এবং প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

পরে রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। ২০২০ সালের ১৯ জুলাই দাখিল করা এই রিভিউ আবেদনের শুনানি হয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সর্বোচ্চ আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে তাকে পুনরায় আপিলের সুযোগ দেন এবং শুনানির জন্য ২২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন।

আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এর মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) জমা দিতে হবে। ধারাবাহিক শুনানির অংশ হিসেবে ২২ এপ্রিল এবং ৬ মে মামলার শুনানি হয়। পরে ৮ মে চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন, যা আজ ঘোষণা করা হলো।

এই রায়ের মাধ্যমে এক যুগব্যাপী আইনি লড়াইয়ের পর জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালাস পেলেন।

এ রায় নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এমন গুরুত্বপূর্ণ রায় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে বিশেষ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।