ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ

শীর্ষ আদালতে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / 208

ছবি সংগৃহীত

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করে আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

আরও পড়ুন  আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনা: আপিল বিভাগে শুনানি মঙ্গলবার

এর আগে গত ৮ মে এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। আপিলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রায়হান উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক এবং প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

পরে রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। ২০২০ সালের ১৯ জুলাই দাখিল করা এই রিভিউ আবেদনের শুনানি হয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সর্বোচ্চ আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে তাকে পুনরায় আপিলের সুযোগ দেন এবং শুনানির জন্য ২২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন।

আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এর মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) জমা দিতে হবে। ধারাবাহিক শুনানির অংশ হিসেবে ২২ এপ্রিল এবং ৬ মে মামলার শুনানি হয়। পরে ৮ মে চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন, যা আজ ঘোষণা করা হলো।

এই রায়ের মাধ্যমে এক যুগব্যাপী আইনি লড়াইয়ের পর জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালাস পেলেন।

এ রায় নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এমন গুরুত্বপূর্ণ রায় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে বিশেষ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ আদালতে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

আপডেট সময় ১১:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করে আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

আরও পড়ুন  অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

এর আগে গত ৮ মে এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। আপিলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রায়হান উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক এবং প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

পরে রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। ২০২০ সালের ১৯ জুলাই দাখিল করা এই রিভিউ আবেদনের শুনানি হয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সর্বোচ্চ আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে তাকে পুনরায় আপিলের সুযোগ দেন এবং শুনানির জন্য ২২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন।

আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এর মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) জমা দিতে হবে। ধারাবাহিক শুনানির অংশ হিসেবে ২২ এপ্রিল এবং ৬ মে মামলার শুনানি হয়। পরে ৮ মে চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন, যা আজ ঘোষণা করা হলো।

এই রায়ের মাধ্যমে এক যুগব্যাপী আইনি লড়াইয়ের পর জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালাস পেলেন।

এ রায় নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এমন গুরুত্বপূর্ণ রায় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে বিশেষ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।