ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণ সর্বজনীনভাবে গৃহীত সিদ্ধান্ত: প্রেসসচিব

প্রেসসচিব, আওয়ামীলীগ, নিষিদ্ধকরণ
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 419

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা ‘সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য’ বা ‘ইউনিভার্সালি একসেপ্টেড’ সিদ্ধান্ত।

সোমবার (১২ মে) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সবাই গ্রহণ করেছে। হয়তো দু-একটি দলের মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা সব দলের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্তে এসেছি।”

আরও পড়ুন  রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে, নিশ্চিহ্ন করতে হবে - উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুল আলম আরও বলেন, “জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যদিও আমাদের হিসাব মতে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। এটা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরে।”

তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে খুন, গুম, লুটপাটের ভয়াবহ চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। তিন হাজার পাঁচশরও বেশি মানুষ গুম হয়েছে। এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। আয়নাঘরে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মানুষকে, দেওয়া হয়েছে ভয়ঙ্কর শাস্তি।”

তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, “তারা জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে তাদের দ্বারা। আর এ কারণেই দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

প্রেসসচিব দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং লুটপাটের ইতিহাস আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই নিষিদ্ধকরণ কোনো একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সব দলের সম্মিলিত মতামতের ফল। তাই এটি একটি গণতান্ত্রিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থে একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

এদিকে, এ বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এ ধরনের বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের প্রেক্ষাপট আরও জটিল করে তুলতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণ সর্বজনীনভাবে গৃহীত সিদ্ধান্ত: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ০৪:৪০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা ‘সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য’ বা ‘ইউনিভার্সালি একসেপ্টেড’ সিদ্ধান্ত।

সোমবার (১২ মে) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সবাই গ্রহণ করেছে। হয়তো দু-একটি দলের মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা সব দলের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্তে এসেছি।”

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুল আলম আরও বলেন, “জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যদিও আমাদের হিসাব মতে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। এটা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরে।”

তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে খুন, গুম, লুটপাটের ভয়াবহ চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। তিন হাজার পাঁচশরও বেশি মানুষ গুম হয়েছে। এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। আয়নাঘরে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মানুষকে, দেওয়া হয়েছে ভয়ঙ্কর শাস্তি।”

তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, “তারা জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে তাদের দ্বারা। আর এ কারণেই দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

প্রেসসচিব দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং লুটপাটের ইতিহাস আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই নিষিদ্ধকরণ কোনো একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সব দলের সম্মিলিত মতামতের ফল। তাই এটি একটি গণতান্ত্রিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থে একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

এদিকে, এ বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এ ধরনের বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের প্রেক্ষাপট আরও জটিল করে তুলতে পারে।