ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল এনসিপি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 254

ছবি: সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১২ মে) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলমান আন্দোলনের যৌক্তিকতা তারা সমর্থন করলেও, জনগণের ইতিহাসবিরোধী কিংবা দলীয় স্লোগানে তারা জড়িত নয়।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন যে, সাম্প্রতিক আন্দোলনে একটি পক্ষ দলীয় স্লোগান ও জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এতে করে আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরে যাচ্ছে এবং জাতীয় ঐক্য গঠনের সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ‘নৌকা’ বাদ দিয়ে শাপলা প্রতীক তালিকাভুক্ত করার দাবি এনসিপির

বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, এনসিপির কোনো সদস্য এমন কোনো স্লোগান দেয়নি যা জনগণের সংগ্রাম ও ইতিহাসের বিরোধী। এ ধরনের আপত্তিকর স্লোগান যেসব পক্ষ দিয়েছে, দায়ভারও তাদেরই বহন করতে হবে। এনসিপি মনে করে, ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, এবং তাদের বক্তব্য ও স্লোগানে সে চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় একপক্ষের আপত্তির পরও আন্দোলনকারীদের দৃঢ়তা প্রশংসনীয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও জানায়, যারা অতীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল বা গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে, তাদের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐক্য গঠনে সহায়তা করা। চব্বিশের অভ্যুত্থানকে বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ফ্যাসিবাদী জমানায় যারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং চব্বিশের অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের এখন প্রয়োজন ‘বাংলাদেশপন্থি’ ভূমিকা পালন করে নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে অংশ নেওয়া।

এনসিপি মনে করে, অতীতের বিভাজন ও আদর্শগত মতপার্থক্য মুছে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। কেবল ঐক্যবদ্ধ জনগণই মুজিববাদের আদর্শকে পরাজিত করে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল এনসিপি

আপডেট সময় ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১২ মে) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলমান আন্দোলনের যৌক্তিকতা তারা সমর্থন করলেও, জনগণের ইতিহাসবিরোধী কিংবা দলীয় স্লোগানে তারা জড়িত নয়।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন যে, সাম্প্রতিক আন্দোলনে একটি পক্ষ দলীয় স্লোগান ও জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এতে করে আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরে যাচ্ছে এবং জাতীয় ঐক্য গঠনের সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, এনসিপির কোনো সদস্য এমন কোনো স্লোগান দেয়নি যা জনগণের সংগ্রাম ও ইতিহাসের বিরোধী। এ ধরনের আপত্তিকর স্লোগান যেসব পক্ষ দিয়েছে, দায়ভারও তাদেরই বহন করতে হবে। এনসিপি মনে করে, ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, এবং তাদের বক্তব্য ও স্লোগানে সে চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় একপক্ষের আপত্তির পরও আন্দোলনকারীদের দৃঢ়তা প্রশংসনীয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও জানায়, যারা অতীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল বা গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে, তাদের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐক্য গঠনে সহায়তা করা। চব্বিশের অভ্যুত্থানকে বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ফ্যাসিবাদী জমানায় যারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং চব্বিশের অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের এখন প্রয়োজন ‘বাংলাদেশপন্থি’ ভূমিকা পালন করে নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে অংশ নেওয়া।

এনসিপি মনে করে, অতীতের বিভাজন ও আদর্শগত মতপার্থক্য মুছে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। কেবল ঐক্যবদ্ধ জনগণই মুজিববাদের আদর্শকে পরাজিত করে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারবে।