ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শীর্ষ বৈঠকে মোদির ইতিবাচক সুর: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আশাবাদী ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 480

ছবি সংগৃহীত

 

 

ব্যাংককে আয়োজিত বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশি নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ মিনিটের এই বৈঠকে আঞ্চলিক রাজনীতি, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  জুলাই গণহত্যা: শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ জুলাই

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গ তুললে নরেন্দ্র মোদি কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাননি। বরং তিনি অধ্যাপক ইউনূসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন। মোদি বলেন, “বাংলাদেশের একটি নেতার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক থাকার পরও, আমরা দেখেছি আপনার প্রতি অবিচার হয়েছে। তবে ভারত আপনাকে সবসময় সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে এসেছে।”

শফিকুল আলম আরও জানান, মোদির কথাবার্তা থেকে এটা স্পষ্ট যে ভারত এখন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিতে চায় যা হবে জনগণকেন্দ্রিক, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভরশীল নয়।

অধ্যাপক ইউনূসও তাঁর বক্তব্যে ভারতের সঙ্গে “সর্বোত্তম সম্পর্ক” চেয়েছেন, তবে সেটি হতে হবে ন্যায়বিচার, সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “একদিন শেখ হাসিনাকে ঢাকায় প্রত্যর্পণ করা হবে এবং সেই দিন হবে শতাব্দীর এক ঐতিহাসিক বিচার দিনের সূচনা।”

এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক জটিলতার মাঝে একটি নতুন আলো দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভারতের এই নমনীয় অবস্থান ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আস্থার ভিত্তি আরও শক্ত করবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ বৈঠকে মোদির ইতিবাচক সুর: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আশাবাদী ইউনূস

আপডেট সময় ১১:১৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

ব্যাংককে আয়োজিত বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশি নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ মিনিটের এই বৈঠকে আঞ্চলিক রাজনীতি, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল, সাবেক ৫ মহাপরিচালকও তালিকায়

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গ তুললে নরেন্দ্র মোদি কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাননি। বরং তিনি অধ্যাপক ইউনূসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন। মোদি বলেন, “বাংলাদেশের একটি নেতার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক থাকার পরও, আমরা দেখেছি আপনার প্রতি অবিচার হয়েছে। তবে ভারত আপনাকে সবসময় সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে এসেছে।”

শফিকুল আলম আরও জানান, মোদির কথাবার্তা থেকে এটা স্পষ্ট যে ভারত এখন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিতে চায় যা হবে জনগণকেন্দ্রিক, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভরশীল নয়।

অধ্যাপক ইউনূসও তাঁর বক্তব্যে ভারতের সঙ্গে “সর্বোত্তম সম্পর্ক” চেয়েছেন, তবে সেটি হতে হবে ন্যায়বিচার, সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “একদিন শেখ হাসিনাকে ঢাকায় প্রত্যর্পণ করা হবে এবং সেই দিন হবে শতাব্দীর এক ঐতিহাসিক বিচার দিনের সূচনা।”

এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক জটিলতার মাঝে একটি নতুন আলো দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভারতের এই নমনীয় অবস্থান ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আস্থার ভিত্তি আরও শক্ত করবে বলেও মনে করা হচ্ছে।