ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিকদের স্বার্থ ও পেশাগত অধিকার সুরক্ষায় ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং দশম ওয়েজবোর্ড নিয়ে সাংবাদিকদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে ভালো সাংবাদিকরা কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। পাশাপাশি নতুন ও দক্ষ সাংবাদিক তৈরির পথও বাধাগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন  সরকারি দামে অনীহা ট্যানারির, চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ড যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। অন্যদিকে, দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবিও উঠেছে। সাংবাদিকদের এসব দাবি এবং নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে।

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা বাস্তবায়ন না করলে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।

সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও কথা বলেন ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার সাংবাদিকতা করে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ভুয়া ব্যক্তিদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা হুমকির মুখে পড়ছেন। এতে জনগণ ও গণতন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কারা সাংবাদিক হিসেবে বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এ আইন করা হচ্ছে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হয়রানি, অসত্য তথ্য ও অপতথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনা মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা প্রয়োজন।

কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিকের প্রকাশিত সংবাদ ভুলবশত আইনের ব্যত্যয় ঘটালে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার যে প্রস্তাব সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এসেছে, তা সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় শব্দচয়ন ও বিধান কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। গণমাধ্যম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

সাংবাদিকদের উত্থাপিত দাবি-দাওয়াগুলো লিখিতভাবে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, লিখিত প্রস্তাব পেলে সেগুলো বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণে সরকারের সুবিধা হবে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময় অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে দেশের খবর জনগণের সামনে তুলে ধরেন। অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। অথচ অনেক সাংবাদিক ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়া উচিত নয়। ফেসবুক পেজ খুলে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।

ডিইউজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার বলেন, দীর্ঘদিন ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাংবাদিকরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি অবিলম্বে দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি জানান।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করে না—এমন পত্রিকা ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে সরকারি বিজ্ঞাপন এবং ক্রোড়পত্র না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় ডিইউজের সহসভাপতি রাশেদুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইকবাল মজুমদার তৌহিদ, কল্যাণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন রাজ্জাক, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রফিক লিটন, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ গাজী আনোয়ার, তালুকদার এ এইচ এম নুরুল মোমেনসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

এ সময় ডিইউজের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক মোহাম্মদ, নির্বাহী সদস্য এম. মোশররফ হোসাইন, আবদুল্লাহ মজুমদার ও ফখরুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, কল্যাণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণ, সাইবার নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সাংবাদিকদের স্বার্থ ও পেশাগত অধিকার সুরক্ষায় ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং দশম ওয়েজবোর্ড নিয়ে সাংবাদিকদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে ভালো সাংবাদিকরা কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। পাশাপাশি নতুন ও দক্ষ সাংবাদিক তৈরির পথও বাধাগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন  জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ড যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। অন্যদিকে, দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবিও উঠেছে। সাংবাদিকদের এসব দাবি এবং নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে।

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা বাস্তবায়ন না করলে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।

সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও কথা বলেন ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার সাংবাদিকতা করে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ভুয়া ব্যক্তিদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা হুমকির মুখে পড়ছেন। এতে জনগণ ও গণতন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কারা সাংবাদিক হিসেবে বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এ আইন করা হচ্ছে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হয়রানি, অসত্য তথ্য ও অপতথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনা মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা প্রয়োজন।

কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিকের প্রকাশিত সংবাদ ভুলবশত আইনের ব্যত্যয় ঘটালে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার যে প্রস্তাব সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এসেছে, তা সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় শব্দচয়ন ও বিধান কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। গণমাধ্যম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

সাংবাদিকদের উত্থাপিত দাবি-দাওয়াগুলো লিখিতভাবে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, লিখিত প্রস্তাব পেলে সেগুলো বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণে সরকারের সুবিধা হবে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময় অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে দেশের খবর জনগণের সামনে তুলে ধরেন। অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। অথচ অনেক সাংবাদিক ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়া উচিত নয়। ফেসবুক পেজ খুলে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।

ডিইউজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার বলেন, দীর্ঘদিন ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাংবাদিকরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি অবিলম্বে দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি জানান।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করে না—এমন পত্রিকা ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে সরকারি বিজ্ঞাপন এবং ক্রোড়পত্র না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় ডিইউজের সহসভাপতি রাশেদুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইকবাল মজুমদার তৌহিদ, কল্যাণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন রাজ্জাক, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রফিক লিটন, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ গাজী আনোয়ার, তালুকদার এ এইচ এম নুরুল মোমেনসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

এ সময় ডিইউজের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক মোহাম্মদ, নির্বাহী সদস্য এম. মোশররফ হোসাইন, আবদুল্লাহ মজুমদার ও ফখরুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, কল্যাণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণ, সাইবার নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।