ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলজেরিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চান রাষ্ট্রপতি বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে বিল পাস ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১,৪৯২ ফিলিস্তিনিদের পাশে সবসময় থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাননীয় নয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী: নিজ দপ্তর থেকেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রীর গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি ‘আ.লীগ এভাবে পালাবে, কোনো জ্যোতিষও ভাবেনি: ধর্মমন্ত্রী ইরানকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ পাকিস্তানের

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চান রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

 

 

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গুরুতর দুর্নীতির ঘটনায় দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহির ঘাটতির কারণে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে কারও প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা করা যাবে না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা বিপুলসংখ্যক মামলার আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর বিষয়েও দুদককে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। বিশেষ করে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগগুলো দ্রুত অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে দুদককে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

দুদকের প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চান রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গুরুতর দুর্নীতির ঘটনায় দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্দলীয় প্রার্থীকে চায় দেশের ৬৮% মানুষ: জরিপ

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহির ঘাটতির কারণে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে কারও প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা করা যাবে না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা বিপুলসংখ্যক মামলার আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর বিষয়েও দুদককে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। বিশেষ করে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগগুলো দ্রুত অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে দুদককে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

দুদকের প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।