বিলুপ্ত হলো র্যাব, সংসদে বিল পাস
- আপডেট সময় ০৭:২২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 23
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তা কণ্ঠভোটে দেন। পরে সংসদে বিলটি পাস হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে র্যাব ২০০৩ সালের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (সংশোধন) আইনের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছিল। নতুন এসআরবি বিলের পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল-২০২৬ ইতোমধ্যে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।
বিলটি পাসের আগে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সমাজের চাহিদা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন ইউনিট বা বাহিনীতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়। সেই প্রয়োজন থেকেই নতুন বাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একটি সংস্থা গঠনের সঙ্গে আরেকটি সংস্থা বিলুপ্ত করার সরাসরি সম্পর্ক নেই। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধীনে র্যাব গঠন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট আইনটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না। একটি ধারার অধীনে ইউনিটটি পরিচালিত হচ্ছিল বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, র্যাবকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন থেকে আলাদা করে বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আইনের ইংরেজি ভাষার কিছু অস্পষ্টতা দূর করে তা অনুবাদের মাধ্যমে নতুন আইন হিসেবে আনা হচ্ছে।
পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, এসআরবি পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। নিয়োগ বা প্রেষণের মাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তা, বিভিন্ন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং নির্ধারিত সশস্ত্র সদস্য বা কর্মচারীদের সমন্বয়ে ইউনিটটি গঠিত হবে।
এসআরবির নিজস্ব পতাকা, প্রতীক ও পোশাক থাকবে। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) বা তার চেয়ে ঊর্ধ্ব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে ইউনিটটির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
বিল অনুযায়ী, এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দ করার ক্ষমতা দেওয়া হবে। ইউনিটটির নিজস্ব হাজত, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রও থাকবে।
এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অভিযোগ এবং এসআরবি সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

























