ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ -এর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে এমপি পদ থাকবে না: চিফ হুইপ ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ: জাহেদ উর রহমান আলিয়া মাদ্রাসায় সহাবস্থানে একমত ছাত্রদল-শিবির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ -এর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 0

ছবি সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (US-Bangladesh Business Council – USBBC)-এর এক উচ্চপর্যাযের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা-সহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের অপার সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে সরকার শুল্ক-সুবিধাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতির কাছেই শপথ নিয়েছিলেন, তাহলে এখন বিরোধিতা কেন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকে বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে এক ছাতার নিচে আনতে এবং কার্যক্রম সহজ করতে সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করেছে। গত ৫-৬ মাস ধরে এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও আইনি সুবিধা সুসংগঠিত করা হয়েছে। এছাড়া, দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনাও সরকার খতিয়ে দেখছে, যা দেশের জ্বালানি খাতের বহুমুখীকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্যশস্য ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারি পর্যায় (G2G) থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের বড় সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সুরক্ষার সুবিধার্থে ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থার অধীনে ‘সেফ সিটি’ প্রজেক্ট, সীমান্ত নিরাপত্তায় ‘ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট’ এবং ই-ভিসা (e-visa) চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (US-BBC) প্রেসিডেন্ট বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান কোম্পানিগুলো গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং বর্তমানে তাঁরা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী। বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ১ ট্রিলিয়ন (Trillion) ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে টেকনিক্যাল ও ম্যানেজারিয়াল ক্যাপাসিটি উন্নয়ন এবং সেই সাথে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধি ও কর উৎপাদনশীলতা (Tax productivity) বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সরকারকে সার্বিক সহায়তা করতে পারে এবং অংশীদার হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)-এর প্রেসিডেন্ট এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ এশিয়া) অতুল কেশপ (Atul Keshap) এর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ -এর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (US-Bangladesh Business Council – USBBC)-এর এক উচ্চপর্যাযের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা-সহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের অপার সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে সরকার শুল্ক-সুবিধাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন  রামিসা হত্যা: বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শেষের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকে বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে এক ছাতার নিচে আনতে এবং কার্যক্রম সহজ করতে সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করেছে। গত ৫-৬ মাস ধরে এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও আইনি সুবিধা সুসংগঠিত করা হয়েছে। এছাড়া, দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনাও সরকার খতিয়ে দেখছে, যা দেশের জ্বালানি খাতের বহুমুখীকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্যশস্য ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারি পর্যায় (G2G) থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের বড় সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সুরক্ষার সুবিধার্থে ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থার অধীনে ‘সেফ সিটি’ প্রজেক্ট, সীমান্ত নিরাপত্তায় ‘ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট’ এবং ই-ভিসা (e-visa) চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (US-BBC) প্রেসিডেন্ট বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান কোম্পানিগুলো গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং বর্তমানে তাঁরা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী। বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ১ ট্রিলিয়ন (Trillion) ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে টেকনিক্যাল ও ম্যানেজারিয়াল ক্যাপাসিটি উন্নয়ন এবং সেই সাথে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধি ও কর উৎপাদনশীলতা (Tax productivity) বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সরকারকে সার্বিক সহায়তা করতে পারে এবং অংশীদার হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)-এর প্রেসিডেন্ট এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ এশিয়া) অতুল কেশপ (Atul Keshap) এর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।