সচেতনতা না বাড়ালে বাঘের অস্তিত্ব আরও সংকটে পড়বে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৩:২০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / 41
বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংরক্ষণবিষয়ক মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, বাঘ জীববৈচিত্র্যের অপরিহার্য অংশ এবং এ প্রজাতি রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আয়োজিত র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় একশ বছর আগে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে প্রায় পাঁচ হাজারে নেমে এসেছে। এ পরিসংখ্যান বাঘের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
তিনি বলেন, সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে এবং মানুষকে সচেতন করা না গেলে ভবিষ্যতে এ প্রজাতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়তে পারে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, বর্তমানে সুন্দরবনে ১২৪টি বাঘ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রায় ১৫টি এবং দেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় প্রায় ৫০টি বাঘ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাঘ দেশের জাতীয় সম্পদ। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে এ প্রাণী সম্পর্কে জানতে পারে এবং সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
বাঘ গণনায় বরাদ্দকৃত বাজেট ও এ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঘ গণনার বিষয়টি বন বিভাগের আওতাধীন। এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়। তবে বন বিভাগ তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার সঙ্গে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার স্যুভেনির শপ উদ্বোধন করেন।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. শাহীনুর আলম, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আদনান আজাদসহ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং জাতীয় চিড়িয়াখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






















