ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে তেলের দামে ব্যারেল ছাড়াল ১১১ ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 15

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও, যার ফলে ওয়াল স্ট্রিটের টানা ঊর্ধ্বমুখী ধারা থমকে গেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য নির্ধারিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১১.১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া জুলাই মাসের সরবরাহের জন্য তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১০৪.৩৩ ডলার। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষে যেখানে তেলের দাম ছিল প্রায় ৭০ ডলার, তা এখন যুদ্ধ শুরুর সময়কার সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ ১১৯ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে মার্কিন অবরোধ শিথিল করার যে প্রস্তাব ইরান দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত তা গ্রহণ করছে না। পাশাপাশি ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ায় অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থাই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  লিবিয়া উপকূলে দুই নৌকা ডুবি: বাংলাদেশি ৪ জনের লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশটির অটো ক্লাব এএএ -এর তথ্যমতে, বর্তমানে গড় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৪.১৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের পর দেশটিতে সর্বোচ্চ।

তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে তেলের দামে ব্যারেল ছাড়াল ১১১ ডলার

আপডেট সময় ১১:৪০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও, যার ফলে ওয়াল স্ট্রিটের টানা ঊর্ধ্বমুখী ধারা থমকে গেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য নির্ধারিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১১.১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া জুলাই মাসের সরবরাহের জন্য তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১০৪.৩৩ ডলার। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষে যেখানে তেলের দাম ছিল প্রায় ৭০ ডলার, তা এখন যুদ্ধ শুরুর সময়কার সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ ১১৯ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে মার্কিন অবরোধ শিথিল করার যে প্রস্তাব ইরান দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত তা গ্রহণ করছে না। পাশাপাশি ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ায় অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থাই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  জার্মানির আগাম নির্বাচন: অর্থনৈতিক সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার ছায়ায় ভোট

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশটির অটো ক্লাব এএএ -এর তথ্যমতে, বর্তমানে গড় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৪.১৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের পর দেশটিতে সর্বোচ্চ।

তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।