বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী
- আপডেট সময় ০২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
- / 95
আজ ২৫ বৈশাখ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির প্রধান পুরুষ কবিগুরুর এই বিশেষ দিনে তাঁর অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র-দর্শনের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অনন্য শৈল্পিক কুশলতায় কাব্য, সংগীত, উপন্যাস ও নাটকের প্রতিটি ছত্রে মানবতা, শান্তি ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, রবীন্দ্রনাথের যুক্তিবোধ ও মঙ্গল ভাবনা আন্তর্জাতিকতার মর্মকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
বিশেষ করে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান যে প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল এবং তাঁর সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা’ আজ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, সে কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বার্তায় আরও বলেন, “বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ-সংঘাত, উগ্রবাদের উত্থান এবং জাতিতে জাতিতে হানাহানির এই রক্তাক্ত পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র-দর্শন ও তাঁর অহিংস মতাদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
” তিনি কবির শিক্ষা-ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় আলোকিত করতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন এবং তাঁর ব্যবহারিক শিক্ষার দর্শন চিরকাল বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, ১৮৬১ সালের এই দিনে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে তিনি বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।
তাঁর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকীর সকল আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।


























