ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন

সম্মিলিত ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের তলব করলেন গভর্নর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 124

ছবি সংগৃহীত

 

নানা সংকটে জর্জরিত শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ এর বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ঠিক করতে আজ বুধবার জরুরি সভা ডেকেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার আওতায় প্রশাসকদের নিয়ে এটি একটি রুটিন সভা হলেও এখানে একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হতে পারে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাজ্যে জব্দকৃত সম্পদ ফেরাতে আইনি উদ্যোগ নেবে সরকার: গভর্নর

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে (এসআইবিএল) একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্যাংকগুলো এক নামে চললেও তাদের কার্যক্রম এখনো পৃথকভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।

সম্প্রতি ব্যাংকটির নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সাবেক সচিব মোহাম্মদ আউয়ুব মিয়া চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করার পর পদটি এখনো শূন্য রয়েছে। এছাড়া মনোনীত ব্যবস্থাপনা পরিচালকও দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, এপ্রিলে জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল’ পাস হওয়ার পর নতুন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আইনের ১৮(ক) ধারা অনুযায়ী, শর্তসাপেক্ষে সাবেক শেয়ারধারীদের শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরি হওয়ায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) ইতিমধ্যে একীভূত ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আবেদন করেছে।

গুঞ্জন রয়েছে, আরও দুটি ব্যাংক একই পথে হাঁটার পরিকল্পনা করছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতে আমানতকারী ও কর্মীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করতেই গভর্নর এই সভা ডেকেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্মিলিত ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের তলব করলেন গভর্নর

আপডেট সময় ০৬:২০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

নানা সংকটে জর্জরিত শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ এর বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ঠিক করতে আজ বুধবার জরুরি সভা ডেকেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার আওতায় প্রশাসকদের নিয়ে এটি একটি রুটিন সভা হলেও এখানে একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হতে পারে।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার কাছে নতুন নোটের ছবি হস্তান্তর করলেন গভর্নর

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে (এসআইবিএল) একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্যাংকগুলো এক নামে চললেও তাদের কার্যক্রম এখনো পৃথকভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।

সম্প্রতি ব্যাংকটির নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সাবেক সচিব মোহাম্মদ আউয়ুব মিয়া চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করার পর পদটি এখনো শূন্য রয়েছে। এছাড়া মনোনীত ব্যবস্থাপনা পরিচালকও দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, এপ্রিলে জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল’ পাস হওয়ার পর নতুন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আইনের ১৮(ক) ধারা অনুযায়ী, শর্তসাপেক্ষে সাবেক শেয়ারধারীদের শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরি হওয়ায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) ইতিমধ্যে একীভূত ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আবেদন করেছে।

গুঞ্জন রয়েছে, আরও দুটি ব্যাংক একই পথে হাঁটার পরিকল্পনা করছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতে আমানতকারী ও কর্মীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করতেই গভর্নর এই সভা ডেকেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।