ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 357

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণদান কর্মসূচি বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সোমবার (২ মার্চ) পাঠানো এই চিঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংসদীয় কার্যক্রম ও ভাষণদান থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আইনজীবী শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধেও তিনি কোনো অবস্থান নেননি এবং এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেছেন এবং প্রকৃত সত্যকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পদের শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি অধিকার হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতিকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সেখানে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। চিঠিতে প্রস্তাব করা হয়, একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার নির্বাচিত করে সেই স্পিকারের মাধ্যমেই অধিবেশনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হোক অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর শপথে আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আন্দোলনকারী বিভিন্ন পক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও ভাষণ নিয়ে সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণদান কর্মসূচি বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সোমবার (২ মার্চ) পাঠানো এই চিঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংসদীয় কার্যক্রম ও ভাষণদান থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আইনজীবী শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধেও তিনি কোনো অবস্থান নেননি এবং এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেছেন এবং প্রকৃত সত্যকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পদের শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি অধিকার হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতিকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সেখানে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। চিঠিতে প্রস্তাব করা হয়, একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার নির্বাচিত করে সেই স্পিকারের মাধ্যমেই অধিবেশনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হোক অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন  ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আন্দোলনকারী বিভিন্ন পক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও ভাষণ নিয়ে সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।