ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রীর গ্ৰামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রবাসী কার্ড চালুর লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন এখন দুই বছরে সৌদিতে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ঘুমের মধ্যে বিষধর সাপের ছোবল, সাপসহ হাসপাতালে নারী খুলনায় ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে মাকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রতিটি নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 337

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণদান কর্মসূচি বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সোমবার (২ মার্চ) পাঠানো এই চিঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংসদীয় কার্যক্রম ও ভাষণদান থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আইনজীবী শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধেও তিনি কোনো অবস্থান নেননি এবং এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেছেন এবং প্রকৃত সত্যকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পদের শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি অধিকার হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতিকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সেখানে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। চিঠিতে প্রস্তাব করা হয়, একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার নির্বাচিত করে সেই স্পিকারের মাধ্যমেই অধিবেশনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হোক অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্র মেরামতে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত কাজ করছেন: তথ্যমন্ত্রী

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আন্দোলনকারী বিভিন্ন পক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও ভাষণ নিয়ে সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণদান কর্মসূচি বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সোমবার (২ মার্চ) পাঠানো এই চিঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংসদীয় কার্যক্রম ও ভাষণদান থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আইনজীবী শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধেও তিনি কোনো অবস্থান নেননি এবং এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেছেন এবং প্রকৃত সত্যকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তার পদের শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি অধিকার হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতিকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সেখানে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। চিঠিতে প্রস্তাব করা হয়, একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার নির্বাচিত করে সেই স্পিকারের মাধ্যমেই অধিবেশনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হোক অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন  শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আন্দোলনকারী বিভিন্ন পক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও ভাষণ নিয়ে সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।