ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 114

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর বড় মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াসহ সাতজনকে মরণোত্তর এবং আটজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সরাসরি এই পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও দেওয়া হয়েছে এই বিশেষ সম্মাননা।

এ বছর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিশেষ এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে দেশ গঠনে তাঁর সামগ্রিক ভূমিকার জন্য। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে যখন তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়, তখন মিলনায়তনে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিতে পুরস্কারের স্বর্ণপদক ও সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন জাইমা রহমান।

আরও পড়ুন  কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাঁতি দল নেতাকে হত্যা

বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে:
মুক্তিযুদ্ধে অবদান: মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (পদক গ্রহণ করেন কন্যা ব্যারিস্টার সারা জলিল)।
সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (পদক গ্রহণ করেন কন্যা ড. তাসনিম আরিফা সিদ্দিকী)।
সমাজসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (পদক গ্রহণ করেন পুত্র বারীশ হাসান চৌধুরী) এবং মাহেরীন চৌধুরী (পদক গ্রহণ করেন স্বামী মনসুর হেলাল)।
সংস্কৃতি: বশির আহমেদ (পদক গ্রহণ করেন কন্যা হুমায়ারা বশির)।
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (পদক গ্রহণ করেন কন্যা তাবাসুম শাহনাজ)।
এছাড়া অধ্যাপক জহুরুল করিম (পুত্রের মাধ্যমে), হানিফ সংকেত, জোবেরা রহমান, সাইদুল হক, মোহাম্মদ আবদুল বাকী, এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং আবদুল মুকিত মজুমদার ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ বছর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়:
১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ)
২. ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা বিদ্যা)
৩. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন)
৪. এসওএস শিশু পল্লী (জনসেবা)
৫. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (জনসেবা)

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দুপুর ৩টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রামের একটি স্বর্ণপদক, তিন লাখ টাকা ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর বড় মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াসহ সাতজনকে মরণোত্তর এবং আটজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সরাসরি এই পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও দেওয়া হয়েছে এই বিশেষ সম্মাননা।

এ বছর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিশেষ এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে দেশ গঠনে তাঁর সামগ্রিক ভূমিকার জন্য। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে যখন তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়, তখন মিলনায়তনে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিতে পুরস্কারের স্বর্ণপদক ও সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন জাইমা রহমান।

আরও পড়ুন  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতার মেয়াদ আরও বাড়লো

বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে:
মুক্তিযুদ্ধে অবদান: মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (পদক গ্রহণ করেন কন্যা ব্যারিস্টার সারা জলিল)।
সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (পদক গ্রহণ করেন কন্যা ড. তাসনিম আরিফা সিদ্দিকী)।
সমাজসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (পদক গ্রহণ করেন পুত্র বারীশ হাসান চৌধুরী) এবং মাহেরীন চৌধুরী (পদক গ্রহণ করেন স্বামী মনসুর হেলাল)।
সংস্কৃতি: বশির আহমেদ (পদক গ্রহণ করেন কন্যা হুমায়ারা বশির)।
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (পদক গ্রহণ করেন কন্যা তাবাসুম শাহনাজ)।
এছাড়া অধ্যাপক জহুরুল করিম (পুত্রের মাধ্যমে), হানিফ সংকেত, জোবেরা রহমান, সাইদুল হক, মোহাম্মদ আবদুল বাকী, এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং আবদুল মুকিত মজুমদার ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ বছর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়:
১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ)
২. ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা বিদ্যা)
৩. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন)
৪. এসওএস শিশু পল্লী (জনসেবা)
৫. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (জনসেবা)

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দুপুর ৩টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রামের একটি স্বর্ণপদক, তিন লাখ টাকা ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।