ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

দেশের সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 705

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচনকালীন সময়ে সারা দেশে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতা ও প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন কি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হচ্ছে? শেষ সময়ে সুশীল সমাজের ক্ষোভ কেন?

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিকেল টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর ক্ষেত্রেও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে।

এ ছাড়া কোনো রোগী রেফার্ড করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাবরেটরি, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিতভাবে খোলা রাখতে হবে।

এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচনকালীন সময়ে সারা দেশে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতা ও প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলসমূহ যদি সীমিত সংস্কারে রাজি হয়, তাহলে ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, নির্ভুল ও উত্সবমুখর: প্রধান উপদেষ্টা

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিকেল টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর ক্ষেত্রেও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে।

এ ছাড়া কোনো রোগী রেফার্ড করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাবরেটরি, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিতভাবে খোলা রাখতে হবে।

এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।