০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মেট্রোরেলে বাড়ছে ১০ ট্রেন, চলবে রাত ১০টার পরও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 286

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর মেট্রোরেল খুব অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিদ্যুৎচালিত এই দ্রুতগতির বাহনে প্রতিদিন সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ যাত্রী যাতায়াত করে। বিশেষ দিনগুলোতে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে সাড়ে চার লাখ ছাড়িয়ে যায়। মেট্রোরেলের লক্ষ্য ছিল, উত্তরা-মতিঝিল রুটে ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দিনে পাঁচ লাখ যাত্রী পরিবহন করা।

দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর ধরে রাজধানীতে যাত্রী পরিবহন করে আসছে মেট্রোরেল। বর্তমানে এটি দিনে প্রায় ২০০ বার উত্তরা-মতিঝিল রুটে চলাচল করে এবং ক্রমাগত যাত্রী সংখ্যা বাড়ছে। তবে ট্রেনের আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় একই সময়ে বেশি যাত্রী পরিবহন সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে যাত্রী চাহিদা মেটাতে ১০টি নতুন ট্রিপ চালানোর চেষ্টা করছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

ডিএমটিসিএলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যাত্রী চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় যাত্রীদের সঠিকভাবে জায়গা দেওয়া সম্ভব হয় না। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য চাপ রয়েছে, তবে ট্রেনের কোচ সংখ্যা বাড়ানো আপাতত সম্ভব নয়।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের ৬টি কোচের ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি ৮ কোচে উন্নীত করা যাবে, কিন্তু বর্তমানে তিনটি কারণে অতিরিক্ত কোচ লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে ৬ কোচের ট্রেনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ যাত্রী একসঙ্গে চড়তে পারেন। ফলে নতুন ১০ ট্রিপ চালালে আরও ২৩ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে।

দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের স্টেশনে অতিরিক্ত দুটি কোচ দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে, তবে সেখানে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) লাগানো হয়নি। দ্বিতীয়ত, এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন, যা বর্তমানে সম্ভব নয়। তৃতীয়ত, অতিরিক্ত কোচ লাগালে বিদ্যুৎ প্রয়োজন বাড়বে, যা বিদ্যমান সিস্টেমের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে কোচ সংখ্যা বাড়ানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানান, বর্তমানে মেট্রোরেল শুধু যাত্রী পরিবহন করেই খরচ তুলতে পারছে না। অতিরিক্ত ট্রেন চালালে খরচ বাড়বে, তাই কোচ সংখ্যা বাড়ানো উচিত।
ডিএমটিসিএল জানায়, মন্ত্রণালয়ের চাপের কারণে বর্তমানে আরও ১০ ট্রিপ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পরিকল্পনার আওতায় সকালে এবং রাতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে, যাতে যাত্রীরা আরও সুবিধা পেতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেট্রোরেলে বাড়ছে ১০ ট্রেন, চলবে রাত ১০টার পরও

আপডেট সময় ১১:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

রাজধানীর মেট্রোরেল খুব অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিদ্যুৎচালিত এই দ্রুতগতির বাহনে প্রতিদিন সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ যাত্রী যাতায়াত করে। বিশেষ দিনগুলোতে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে সাড়ে চার লাখ ছাড়িয়ে যায়। মেট্রোরেলের লক্ষ্য ছিল, উত্তরা-মতিঝিল রুটে ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দিনে পাঁচ লাখ যাত্রী পরিবহন করা।

দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর ধরে রাজধানীতে যাত্রী পরিবহন করে আসছে মেট্রোরেল। বর্তমানে এটি দিনে প্রায় ২০০ বার উত্তরা-মতিঝিল রুটে চলাচল করে এবং ক্রমাগত যাত্রী সংখ্যা বাড়ছে। তবে ট্রেনের আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় একই সময়ে বেশি যাত্রী পরিবহন সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে যাত্রী চাহিদা মেটাতে ১০টি নতুন ট্রিপ চালানোর চেষ্টা করছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

ডিএমটিসিএলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যাত্রী চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় যাত্রীদের সঠিকভাবে জায়গা দেওয়া সম্ভব হয় না। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য চাপ রয়েছে, তবে ট্রেনের কোচ সংখ্যা বাড়ানো আপাতত সম্ভব নয়।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের ৬টি কোচের ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি ৮ কোচে উন্নীত করা যাবে, কিন্তু বর্তমানে তিনটি কারণে অতিরিক্ত কোচ লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে ৬ কোচের ট্রেনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ যাত্রী একসঙ্গে চড়তে পারেন। ফলে নতুন ১০ ট্রিপ চালালে আরও ২৩ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে।

দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের স্টেশনে অতিরিক্ত দুটি কোচ দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে, তবে সেখানে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) লাগানো হয়নি। দ্বিতীয়ত, এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন, যা বর্তমানে সম্ভব নয়। তৃতীয়ত, অতিরিক্ত কোচ লাগালে বিদ্যুৎ প্রয়োজন বাড়বে, যা বিদ্যমান সিস্টেমের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে কোচ সংখ্যা বাড়ানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানান, বর্তমানে মেট্রোরেল শুধু যাত্রী পরিবহন করেই খরচ তুলতে পারছে না। অতিরিক্ত ট্রেন চালালে খরচ বাড়বে, তাই কোচ সংখ্যা বাড়ানো উচিত।
ডিএমটিসিএল জানায়, মন্ত্রণালয়ের চাপের কারণে বর্তমানে আরও ১০ ট্রিপ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পরিকল্পনার আওতায় সকালে এবং রাতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে, যাতে যাত্রীরা আরও সুবিধা পেতে পারেন।