ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কপোতাক্ষ তীরে পর্যটকদের পর্যটককে নির্দয় মারধর: ভিডিও ভাইরালের পর এলাকায় তোলপাড় খেলার মাঝেই না ফেরার দেশে এনেরামো; স্তম্ভিত ফুটবল অঙ্গন সংসদ ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই খুন; ছেলে হাসপাতালে দুপুরের মধ্যে শক্তিশালী ঝড়ের পূর্বাভাস যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনার পথে বড় অগ্রগতি শাহবাগে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় নাছিরের দুঃখ প্রকাশ আন্তর্জাতিক হকিতে বাংলাদেশের মেয়েদের রূপকথার অভিষেক বিচার বিভাগের দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলতে চাই: আইনমন্ত্রী

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জশনে জুলুস শোভাযাত্রা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 568

ছবি: সংগৃহীত

 

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী জনতার অংশগ্রহণে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীরা। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ জশনে জুলুস শোভাযাত্রা।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

এদিন সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও কদম ফোয়ারা সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়। এর আগে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী জনতা রাজধানীতে সমবেত হন।

শোভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিল বিশাল ব্যানার, যাতে লেখা ছিল ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’, ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’। অংশগ্রহণকারীরা হাতে কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন বহন করেন। এ ছাড়া, বিশাল জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে রাজধানীর রাস্তাঘাট মুখরিত করে তোলেন তারা।

শোভাযাত্রা শেষে শান্তি সমাবেশে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার দীক্ষা দিয়েছেন। অথচ আজ বিশ্বজুড়ে চলছে যুদ্ধ-বিগ্রহ, সন্ত্রাস ও অমানবিকতা। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো প্রিয় নবীর শিক্ষা বাস্তবায়ন।

বিএসপি চেয়ারম্যান উপস্থিত জনতাকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের উচিত ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)-এর পবিত্র বার্তা হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তা প্রয়োগ করা। তবেই সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জশনে জুলুস শোভাযাত্রা

আপডেট সময় ০৬:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী জনতার অংশগ্রহণে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীরা। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ জশনে জুলুস শোভাযাত্রা।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

এদিন সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও কদম ফোয়ারা সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়। এর আগে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী জনতা রাজধানীতে সমবেত হন।

শোভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিল বিশাল ব্যানার, যাতে লেখা ছিল ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’, ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’। অংশগ্রহণকারীরা হাতে কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন বহন করেন। এ ছাড়া, বিশাল জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে রাজধানীর রাস্তাঘাট মুখরিত করে তোলেন তারা।

শোভাযাত্রা শেষে শান্তি সমাবেশে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার দীক্ষা দিয়েছেন। অথচ আজ বিশ্বজুড়ে চলছে যুদ্ধ-বিগ্রহ, সন্ত্রাস ও অমানবিকতা। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো প্রিয় নবীর শিক্ষা বাস্তবায়ন।

বিএসপি চেয়ারম্যান উপস্থিত জনতাকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের উচিত ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)-এর পবিত্র বার্তা হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তা প্রয়োগ করা। তবেই সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে পড়বে।