ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

জরুরি বৈঠকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 1083

ছবি সংগৃহীত

 

 

রাজধানীর বিজয় নগরে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনাসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

আরও পড়ুন  নওগাঁয় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন

শনিবার (৩০ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বৈঠকের বিষয়টি জানান।

গণঅধিকার পরিষদের ওপর লাঠিচার্জের সময় পুলিশ-সেনা বাহিনীর সামনে লাল পোলো-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে ছাত্রনেতা সম্রাটকে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। তখন তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এখনো তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। সিভিলে থাকা যে ব্যক্তি ছাত্রনেতা সম্রাটকে মারধর করেছেন তাকে আটক করা হয়েছে কিনা বা তার পরিচয় উদঘাটন হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাই না। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। ”

এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে গণধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে। গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জে দলটির নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত হওয়ায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল। তারা এটিকে রাজনৈতিকভাবে ভয় দেখানোর অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জরুরি বৈঠকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০৫:২৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

 

 

রাজধানীর বিজয় নগরে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনাসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

আরও পড়ুন  কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য পোষাকের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

শনিবার (৩০ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বৈঠকের বিষয়টি জানান।

গণঅধিকার পরিষদের ওপর লাঠিচার্জের সময় পুলিশ-সেনা বাহিনীর সামনে লাল পোলো-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে ছাত্রনেতা সম্রাটকে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। তখন তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এখনো তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। সিভিলে থাকা যে ব্যক্তি ছাত্রনেতা সম্রাটকে মারধর করেছেন তাকে আটক করা হয়েছে কিনা বা তার পরিচয় উদঘাটন হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাই না। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। ”

এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে গণধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে। গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জে দলটির নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত হওয়ায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল। তারা এটিকে রাজনৈতিকভাবে ভয় দেখানোর অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।