ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নারী-শিশুসহ ২০ বাংলাদেশিকে বিএসএফের পুশইন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 425

ছবি সংগৃহীত

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্ত দিয়ে ২০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (১৮ জুন) ভোর ৫টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে মাসুদপুর বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪/-১ এস দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।

পুশইন হওয়া এসব ব্যক্তির মধ্যে তিনজন পুরুষ, সাতজন নারী ও ১০ জন শিশু রয়েছে। তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবিকে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড় সীমান্তে ফের ১৭ বাংলাদেশিকে ঠেলে পাঠালো বিএসএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, ফেরত পাঠানোদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। যাচাই শেষে তাদের শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু বলেন, “বিএসএফের এই ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে। আমরা এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু পুশইনের ঘটনা বন্ধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও মানবিকতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানে বিজিবি সচেষ্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। গত ২৭ মে বিভীষণ সীমান্ত দিয়ে ১৭ জন এবং ৩ জুন চানশিকারী সীমান্ত দিয়ে আটজন বাংলাদেশিকে পুশইন করে বিএসএফ।

সীমান্তে নিয়মিতভাবে এমন পুশইন কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মানবাধিকারকর্মী ও সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। তাদের মতে, এমন ঘটনায় একদিকে যেমন মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়, তেমনি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নারী-শিশুসহ ২০ বাংলাদেশিকে বিএসএফের পুশইন

আপডেট সময় ১১:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্ত দিয়ে ২০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (১৮ জুন) ভোর ৫টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে মাসুদপুর বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪/-১ এস দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।

পুশইন হওয়া এসব ব্যক্তির মধ্যে তিনজন পুরুষ, সাতজন নারী ও ১০ জন শিশু রয়েছে। তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবিকে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  নেত্রকোনার বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে ৩২ বাংলাদেশিকে পুশইন করলো বিএসএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, ফেরত পাঠানোদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। যাচাই শেষে তাদের শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু বলেন, “বিএসএফের এই ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে। আমরা এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু পুশইনের ঘটনা বন্ধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও মানবিকতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানে বিজিবি সচেষ্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। গত ২৭ মে বিভীষণ সীমান্ত দিয়ে ১৭ জন এবং ৩ জুন চানশিকারী সীমান্ত দিয়ে আটজন বাংলাদেশিকে পুশইন করে বিএসএফ।

সীমান্তে নিয়মিতভাবে এমন পুশইন কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মানবাধিকারকর্মী ও সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। তাদের মতে, এমন ঘটনায় একদিকে যেমন মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়, তেমনি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।