ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 531

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস। মঙ্গলবার রাজধানীতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’-তে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘ বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষী রূপান্তর ও নীতিগত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কীভাবে আরও বিস্তৃত সহায়তা দিতে পারে, তা নিয়েও দুই পক্ষ বিস্তর আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন  বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

এ সময় স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের জন্য গৃহীত কার্যকর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। গোয়েন লুইস এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট ও চলমান অর্থায়ন ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন উভয়পক্ষ। তারা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক তহবিল হ্রাস পাওয়ায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রয়োজনীয় সেবাখাতে চরম প্রভাব পড়ছে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় শুরু থেকেই মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে এই সংকটে টেকসই সমাধান এবং তহবিল পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ ও অব্যাহত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।”

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও রূপান্তরের পথে জাতিসংঘের অব্যাহত সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও গভীর হবে, বিশেষত টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে।”

বৈঠকটি উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যকার সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস। মঙ্গলবার রাজধানীতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’-তে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘ বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষী রূপান্তর ও নীতিগত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কীভাবে আরও বিস্তৃত সহায়তা দিতে পারে, তা নিয়েও দুই পক্ষ বিস্তর আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন  পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সবুজ এবং টেকসই পৃথিবী রেখে যেতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

এ সময় স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের জন্য গৃহীত কার্যকর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। গোয়েন লুইস এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট ও চলমান অর্থায়ন ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন উভয়পক্ষ। তারা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক তহবিল হ্রাস পাওয়ায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রয়োজনীয় সেবাখাতে চরম প্রভাব পড়ছে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় শুরু থেকেই মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে এই সংকটে টেকসই সমাধান এবং তহবিল পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ ও অব্যাহত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।”

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও রূপান্তরের পথে জাতিসংঘের অব্যাহত সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও গভীর হবে, বিশেষত টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে।”

বৈঠকটি উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যকার সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হয়েছে।