ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পরই তার্কিশ এয়ারলাইনসের বিমানে আগুন, জরুরি অবতরণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / 638

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই তার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঘটে গেল আতঙ্কজনক ঘটনা। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফ্লাইটটির এক ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। তবে পাইলটের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও দক্ষতা থাকায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ মে) সকাল ৭টার দিকে TK713 নম্বর ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। ফ্লাইটটিতে মোট ২৯০ জন যাত্রী ছিলেন। উড্ডয়নের প্রায় ১৫ মিনিট পর পাইলট প্লেনের একটি ইঞ্জিনে স্পার্ক বা আগুনের ঝলক দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন  সাভারের হেমায়েতপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ‘বার্ড হিট’ এর কারণে ইঞ্জিনে স্পার্ক দেখা দিয়েছে। প্লেনটি তখন আকাশে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চক্কর দেয় যাতে অতিরিক্ত জ্বালানি কমে আসে এবং নিরাপদে অবতরণ করা সম্ভব হয়। অবশেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ফ্লাইটটি জরুরি ভিত্তিতে বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

যাত্রীদের সবাইকে নিরাপদে প্লেন থেকে নামিয়ে আনা হয় এবং কাউকে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফ্লাইটটির যাত্রীদের তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর এলাকা থেকে সরিয়ে হোটেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, TK713 ফ্লাইটটি একটি এয়ারবাস A330-303 মডেলের বিমান ছিল। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই যখন ইঞ্জিনে অগ্নিকিরণ দেখা দেয়, তখন আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করে পাইলট দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার পর শাহজালাল বিমানবন্দরে কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটে, তবে পরে তা স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং এয়ারলাইনস উভয়ই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পরই তার্কিশ এয়ারলাইনসের বিমানে আগুন, জরুরি অবতরণ

আপডেট সময় ১২:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

 

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই তার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঘটে গেল আতঙ্কজনক ঘটনা। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফ্লাইটটির এক ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। তবে পাইলটের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও দক্ষতা থাকায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ মে) সকাল ৭টার দিকে TK713 নম্বর ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। ফ্লাইটটিতে মোট ২৯০ জন যাত্রী ছিলেন। উড্ডয়নের প্রায় ১৫ মিনিট পর পাইলট প্লেনের একটি ইঞ্জিনে স্পার্ক বা আগুনের ঝলক দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন  শুক্রবার রাজধানীতে কেনাকাটা ও ঘোরাঘুরির আগে জেনে নিন —

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ‘বার্ড হিট’ এর কারণে ইঞ্জিনে স্পার্ক দেখা দিয়েছে। প্লেনটি তখন আকাশে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চক্কর দেয় যাতে অতিরিক্ত জ্বালানি কমে আসে এবং নিরাপদে অবতরণ করা সম্ভব হয়। অবশেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ফ্লাইটটি জরুরি ভিত্তিতে বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

যাত্রীদের সবাইকে নিরাপদে প্লেন থেকে নামিয়ে আনা হয় এবং কাউকে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফ্লাইটটির যাত্রীদের তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর এলাকা থেকে সরিয়ে হোটেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, TK713 ফ্লাইটটি একটি এয়ারবাস A330-303 মডেলের বিমান ছিল। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই যখন ইঞ্জিনে অগ্নিকিরণ দেখা দেয়, তখন আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করে পাইলট দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার পর শাহজালাল বিমানবন্দরে কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটে, তবে পরে তা স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং এয়ারলাইনস উভয়ই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।