ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এনসিপি প্রস্তাবিত প্রয়োজনীয় জনপ্রশাসন সংস্কার:

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 211

ছবি সংগৃহীত

 

১. নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ আইন প্রণয়ন করতে হবে।

২. বিদ্যমান সিটিজেন চার্টারসমূহের শক্তিশালী আইনি ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন  শাহবাগে এনসিপির গণজমায়েতের ডাক, তিন দফা দাবি আদায়ের অঙ্গীকার

৩. নাগরিক সেবা প্রদান ও অভিযোগ প্রতিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ন্যায়পাল হিসেবে স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান ‘নাগরিক সেবা ও অভিযোগ প্রতিকার কমিশন’ গঠন।

৪. সেবা প্রদানের সাথে সেবা প্রদানকারী কর্মচারীর পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সরাসরি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো কর্মচারী ইচ্ছাকৃতভাবে সেবা প্রদান না করলে বা তার হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আপিল কর্তৃপক্ষ বা উল্লিখিত প্রস্তাবিত কমিশন দায়ী কর্মচারীর বিরুদ্ধে তার এসিআর হতে ‘ডিমেরিটস পয়েন্ট’ হিসেবে নম্বর কর্তনের আদেশ প্রদান করতে পারবে মর্মে বিধান করতে হবে।

৫. সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণ, সেবা সহজীকরণ, ই-গভর্ন্যান্স, সর্বোপরি সুশাসন নিয়ে কাজ করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার ইউনিট, গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট এবং এটুআই-কে একত্রিত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নতুন ‘প্রশাসনিক উন্নয়ন এবং সংস্কার বিভাগ’ সৃজন করা যেতে পারে।

৬. আইন-কানুন এবং বিধি-বিধানকে সামঞ্জ্যপূর্ণ ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। এই টাস্কফোর্স স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণপূর্বক প্রতিনিয়ত আইন-কানুন এবং বিধি-বিধান হালনাগাদ করবে।

৭. সেবা প্রদান পদ্ধতি সহজতর করা, ধাপগুলো যথাসম্ভব কমিয়ে ফেলা, অনলাইনভিত্তিক সহজ আবেদন ও নিষ্পত্তি পদ্ধতি বিনির্মাণ করা, সেবার গতিপ্রকৃতির অনলাইন ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠা করা, শুধুমাত্র যে সকল কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট সেবাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত সেগুলোই চাওয়া, সরকারি এক অফিসের তথ্য/কাগজপত্র/রেকর্ড অন্য অফিস কর্তৃক অনলাইনে যাচাই করা। যেসব সেবায় একাধিক দপ্তরের সংশ্লিষ্টতা আছে সেসব ক্ষেত্রে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা।

৮. সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ওপর রাজনৈতিক চাপ এড়ানোর লক্ষ্যে পর্যাপ্ত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সেবা প্রক্রিয়াকরণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য সেবা প্রক্রিয়াকরণের সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। এর উপর ভিত্তি করে একজন কর্মচারীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতটুকু কাজ করতে হবে সেটি যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এই নির্ধারিত কাজের বিপরীতে সম্পাদিত কাজের পার্থক্য বিবেচনায় রেখে তার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করতে হবে। সেসাথে দপ্তরের মোট কাজের সাথে একজন কর্মচারীর জন্য নির্ধারিত কাজ বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত সংখ্যক কর্মচারীর পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এনসিপি প্রস্তাবিত প্রয়োজনীয় জনপ্রশাসন সংস্কার:

আপডেট সময় ১২:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

১. নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ আইন প্রণয়ন করতে হবে।

২. বিদ্যমান সিটিজেন চার্টারসমূহের শক্তিশালী আইনি ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন  শাহবাগে এনসিপির গণজমায়েতের ডাক, তিন দফা দাবি আদায়ের অঙ্গীকার

৩. নাগরিক সেবা প্রদান ও অভিযোগ প্রতিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ন্যায়পাল হিসেবে স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান ‘নাগরিক সেবা ও অভিযোগ প্রতিকার কমিশন’ গঠন।

৪. সেবা প্রদানের সাথে সেবা প্রদানকারী কর্মচারীর পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সরাসরি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো কর্মচারী ইচ্ছাকৃতভাবে সেবা প্রদান না করলে বা তার হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আপিল কর্তৃপক্ষ বা উল্লিখিত প্রস্তাবিত কমিশন দায়ী কর্মচারীর বিরুদ্ধে তার এসিআর হতে ‘ডিমেরিটস পয়েন্ট’ হিসেবে নম্বর কর্তনের আদেশ প্রদান করতে পারবে মর্মে বিধান করতে হবে।

৫. সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণ, সেবা সহজীকরণ, ই-গভর্ন্যান্স, সর্বোপরি সুশাসন নিয়ে কাজ করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার ইউনিট, গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট এবং এটুআই-কে একত্রিত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নতুন ‘প্রশাসনিক উন্নয়ন এবং সংস্কার বিভাগ’ সৃজন করা যেতে পারে।

৬. আইন-কানুন এবং বিধি-বিধানকে সামঞ্জ্যপূর্ণ ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। এই টাস্কফোর্স স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণপূর্বক প্রতিনিয়ত আইন-কানুন এবং বিধি-বিধান হালনাগাদ করবে।

৭. সেবা প্রদান পদ্ধতি সহজতর করা, ধাপগুলো যথাসম্ভব কমিয়ে ফেলা, অনলাইনভিত্তিক সহজ আবেদন ও নিষ্পত্তি পদ্ধতি বিনির্মাণ করা, সেবার গতিপ্রকৃতির অনলাইন ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠা করা, শুধুমাত্র যে সকল কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট সেবাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত সেগুলোই চাওয়া, সরকারি এক অফিসের তথ্য/কাগজপত্র/রেকর্ড অন্য অফিস কর্তৃক অনলাইনে যাচাই করা। যেসব সেবায় একাধিক দপ্তরের সংশ্লিষ্টতা আছে সেসব ক্ষেত্রে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা।

৮. সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ওপর রাজনৈতিক চাপ এড়ানোর লক্ষ্যে পর্যাপ্ত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সেবা প্রক্রিয়াকরণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য সেবা প্রক্রিয়াকরণের সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। এর উপর ভিত্তি করে একজন কর্মচারীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতটুকু কাজ করতে হবে সেটি যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এই নির্ধারিত কাজের বিপরীতে সম্পাদিত কাজের পার্থক্য বিবেচনায় রেখে তার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করতে হবে। সেসাথে দপ্তরের মোট কাজের সাথে একজন কর্মচারীর জন্য নির্ধারিত কাজ বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত সংখ্যক কর্মচারীর পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে।