ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ সেন্সর বোর্ডের কাঁচি: ৬৩টি দৃশ্য বাদ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘ভূত বাংলা’ আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য আন্দোরা পাহাড়, পর্যটন আর শান্ত জীবনের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য এবার তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আজ আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন: এক জওয়ান নিহত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

শীর্ষক বৈঠকে ১৫ বছর পর মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 202

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘ ১৫ বছরের বিরতির পর আবারও মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) বৈঠক।

এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন। পাকিস্তানের পক্ষে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ, যিনি বৈঠকের একদিন আগেই বুধবার ঢাকায় পৌঁছাবেন।

আরও পড়ুন  আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ, ভরি কত?

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ সময় পর দুই দেশের মধ্যে যে কূটনৈতিক সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে, তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

বৈঠকে মূলত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সহযোগিতা, এবং কনস্যুলার ও বাণিজ্যিক বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ঢাকা সফরে আসতে পারেন। এই সফরটি বাস্তবায়িত হলে ২০১২ সালের পর এটিই হবে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর। তবে এখনো তার আগমন তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাংলাদেশ-পাকিস্তান এফওসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১০ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সংলাপ বন্ধ ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

বলা চলে, দক্ষিণ এশিয়ার দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশায় এগোচ্ছে এই বৈঠক। অনেকেই মনে করছেন, পুরনো জটিলতা দূর করে পারস্পরিক বোঝাপড়ার নতুন পথ তৈরি হতে পারে এই সংলাপের মধ্য দিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষক বৈঠকে ১৫ বছর পর মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

দীর্ঘ ১৫ বছরের বিরতির পর আবারও মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) বৈঠক।

এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন। পাকিস্তানের পক্ষে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ, যিনি বৈঠকের একদিন আগেই বুধবার ঢাকায় পৌঁছাবেন।

আরও পড়ুন  ইমরান খানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পরিবার

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ সময় পর দুই দেশের মধ্যে যে কূটনৈতিক সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে, তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

বৈঠকে মূলত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সহযোগিতা, এবং কনস্যুলার ও বাণিজ্যিক বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ঢাকা সফরে আসতে পারেন। এই সফরটি বাস্তবায়িত হলে ২০১২ সালের পর এটিই হবে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর। তবে এখনো তার আগমন তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাংলাদেশ-পাকিস্তান এফওসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১০ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সংলাপ বন্ধ ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

বলা চলে, দক্ষিণ এশিয়ার দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশায় এগোচ্ছে এই বৈঠক। অনেকেই মনে করছেন, পুরনো জটিলতা দূর করে পারস্পরিক বোঝাপড়ার নতুন পথ তৈরি হতে পারে এই সংলাপের মধ্য দিয়ে।