ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 395

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণ চীন সাগরে একটি তেলের খনি আবিষ্কার করেছে চীন। সেখানে ১০ কোটি টনেরও বেশি তেল মজুত থাকতে পারে।

দেশটির জন্য আরও স্বস্তির খবর হচ্ছে, তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ চীন সাগরের কোনো বিতর্কিত অংশে নয়। ফলে কোনো বাধা ছাড়াই তেল উত্তোলন ও বাজারজাত করতে পারবে বেইজিং। সম্প্রতি সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

আরও পড়ুন  সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় চীন, নতুন সরকারের সঙ্গে রয়েছে কাজের আগ্রহ: চীনা মন্ত্রী

জানা গেছে, চীনের জাতীয় অফশোর তেল করপোরেশন (সিএনওওসি) দক্ষিণ চীন সাগরে তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেছে। যার প্রমাণিত মজুত ১০ কোটি টনেরও বেশি।

নতুন আবিষ্কৃত খনিটির নাম দেওয়া হয়েছে হুইঝো ১৯-৬। খনিটি দক্ষিণ চীন সাগরের চীনের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত, যা দেশটির উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

শেনজেন উপকূল থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার (১০৬ মাইল) দূরে অবস্থিত এই তেলক্ষেত্রটি গড়ে ১০০ মিটার পানির গভীরতায় অবস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরীক্ষামূলক খনন থেকে দৈনিক ৪১৩ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৬৮,০০০ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুইঝো ১৯-৬ হলো চীনের প্রথম বৃহৎ আকারের সমন্বিত ক্লাস্টিক তেলক্ষেত্র যা গভীর থেকে অতি-গভীর স্তরে অবস্থিত।

তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য এই ধরনের মজুত চ্যালেঞ্জিং। কারণ এই গভীরতায় উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপ রয়েছে। সেখান থেকে পুরোদমে খনিজ উত্তোলন উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর।

চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য আমদানিনির্ভরতা কমাতে চায়। এ জন্য দেশটি নতুন খনি আবিষ্কারে মনোযোগী। হুইঝো ১৯-৬ খনির মজুত সফলভাবে উত্তোলন করা গেলে চীনের আমদানিনির্ভরতা বেশ কমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার

আপডেট সময় ১১:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

 

দক্ষিণ চীন সাগরে একটি তেলের খনি আবিষ্কার করেছে চীন। সেখানে ১০ কোটি টনেরও বেশি তেল মজুত থাকতে পারে।

দেশটির জন্য আরও স্বস্তির খবর হচ্ছে, তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ চীন সাগরের কোনো বিতর্কিত অংশে নয়। ফলে কোনো বাধা ছাড়াই তেল উত্তোলন ও বাজারজাত করতে পারবে বেইজিং। সম্প্রতি সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

আরও পড়ুন  সাত বছর পর চীনে মোদি

জানা গেছে, চীনের জাতীয় অফশোর তেল করপোরেশন (সিএনওওসি) দক্ষিণ চীন সাগরে তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেছে। যার প্রমাণিত মজুত ১০ কোটি টনেরও বেশি।

নতুন আবিষ্কৃত খনিটির নাম দেওয়া হয়েছে হুইঝো ১৯-৬। খনিটি দক্ষিণ চীন সাগরের চীনের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত, যা দেশটির উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

শেনজেন উপকূল থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার (১০৬ মাইল) দূরে অবস্থিত এই তেলক্ষেত্রটি গড়ে ১০০ মিটার পানির গভীরতায় অবস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরীক্ষামূলক খনন থেকে দৈনিক ৪১৩ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৬৮,০০০ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুইঝো ১৯-৬ হলো চীনের প্রথম বৃহৎ আকারের সমন্বিত ক্লাস্টিক তেলক্ষেত্র যা গভীর থেকে অতি-গভীর স্তরে অবস্থিত।

তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য এই ধরনের মজুত চ্যালেঞ্জিং। কারণ এই গভীরতায় উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপ রয়েছে। সেখান থেকে পুরোদমে খনিজ উত্তোলন উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর।

চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য আমদানিনির্ভরতা কমাতে চায়। এ জন্য দেশটি নতুন খনি আবিষ্কারে মনোযোগী। হুইঝো ১৯-৬ খনির মজুত সফলভাবে উত্তোলন করা গেলে চীনের আমদানিনির্ভরতা বেশ কমে আসবে।