ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে ১৫০ শিক্ষার্থী; মানতে হবে ৬ শর্ত অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি রুখতে কঠোর তদারকির আশ্বাস ডা. জাহেদ উর রহমানের বাগেরহাটের ফকিরহাটে র‍্যাবের হানা: ১৩ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ‘নতুন তাস’ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান; ফুরিয়ে আসছে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি স্থায়ী চুক্তির আগে ইরানি বন্দরে অবরোধ প্রত্যাহারে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে অচল ঢাকা, কেন্দ্রে পৌঁছাতেও হিমশিম শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা থেকে গায়েব ৪ লাখ শিক্ষার্থী হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নাকচ ইরানের

গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 238

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (২৪ মার্চ) ভোররাতে চালানো ভয়াবহ বিমান ও স্থল অভিযানে নারীসহ অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  জেনিনে কূটনীতিক দলের ওপর ইসরায়েলি গুলি, বিশ্বজুড়ে নিন্দা

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, খান ইউনিস, মাইন এলাকা এবং নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে পৃথক হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খান ইউনিসে একটি ত্রাণকেন্দ্রের অস্থায়ী তাঁবুতে বোমা হামলায় নিহত হন ছয়জন। এদের বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইন এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় নিহত হয়েছেন চারজন, আর নুসেইরাতে দুই নারী প্রাণ হারান ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে।

চোখ বন্ধ করলেই যেন ভেসে ওঠে বিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপের ছবি, যেখানে জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃত্যু। আল জাজিরা আরবি জানায়, ভোরের অন্ধকারে কিজান রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের তাবু লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী চালায় আচমকা বোমা হামলা। বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন নারী-শিশুসহ বহু মানুষ। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ হাজার ২১ জন ফিলিস্তিনি। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার। গাজার সরকারি মিডিয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো নিখোঁজ রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তাদের অনেকেই আর জীবিত নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গাজা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বান উপেক্ষা করে প্রতিদিনের হামলা আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে মানবিক পরিস্থিতিকে। শান্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে একটি ক্ষতবিক্ষত জাতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় ১০:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (২৪ মার্চ) ভোররাতে চালানো ভয়াবহ বিমান ও স্থল অভিযানে নারীসহ অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, খান ইউনিস, মাইন এলাকা এবং নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে পৃথক হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খান ইউনিসে একটি ত্রাণকেন্দ্রের অস্থায়ী তাঁবুতে বোমা হামলায় নিহত হন ছয়জন। এদের বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইন এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় নিহত হয়েছেন চারজন, আর নুসেইরাতে দুই নারী প্রাণ হারান ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে।

চোখ বন্ধ করলেই যেন ভেসে ওঠে বিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপের ছবি, যেখানে জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃত্যু। আল জাজিরা আরবি জানায়, ভোরের অন্ধকারে কিজান রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের তাবু লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী চালায় আচমকা বোমা হামলা। বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন নারী-শিশুসহ বহু মানুষ। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ হাজার ২১ জন ফিলিস্তিনি। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার। গাজার সরকারি মিডিয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো নিখোঁজ রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তাদের অনেকেই আর জীবিত নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গাজা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বান উপেক্ষা করে প্রতিদিনের হামলা আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে মানবিক পরিস্থিতিকে। শান্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে একটি ক্ষতবিক্ষত জাতি।