ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 523

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (২৪ মার্চ) ভোররাতে চালানো ভয়াবহ বিমান ও স্থল অভিযানে নারীসহ অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি তাণ্ডবে প্রাণ গেল ৩২ জনের, লেবাননে পাল্টা হামলায় নিহত ৭

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, খান ইউনিস, মাইন এলাকা এবং নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে পৃথক হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খান ইউনিসে একটি ত্রাণকেন্দ্রের অস্থায়ী তাঁবুতে বোমা হামলায় নিহত হন ছয়জন। এদের বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইন এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় নিহত হয়েছেন চারজন, আর নুসেইরাতে দুই নারী প্রাণ হারান ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে।

চোখ বন্ধ করলেই যেন ভেসে ওঠে বিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপের ছবি, যেখানে জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃত্যু। আল জাজিরা আরবি জানায়, ভোরের অন্ধকারে কিজান রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের তাবু লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী চালায় আচমকা বোমা হামলা। বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন নারী-শিশুসহ বহু মানুষ। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ হাজার ২১ জন ফিলিস্তিনি। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার। গাজার সরকারি মিডিয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো নিখোঁজ রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তাদের অনেকেই আর জীবিত নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গাজা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বান উপেক্ষা করে প্রতিদিনের হামলা আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে মানবিক পরিস্থিতিকে। শান্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে একটি ক্ষতবিক্ষত জাতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় ১০:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (২৪ মার্চ) ভোররাতে চালানো ভয়াবহ বিমান ও স্থল অভিযানে নারীসহ অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ফিলিস্তিনি নিহত, উদ্ধার হল ৬ লাশ

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, খান ইউনিস, মাইন এলাকা এবং নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে পৃথক হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খান ইউনিসে একটি ত্রাণকেন্দ্রের অস্থায়ী তাঁবুতে বোমা হামলায় নিহত হন ছয়জন। এদের বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইন এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় নিহত হয়েছেন চারজন, আর নুসেইরাতে দুই নারী প্রাণ হারান ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে।

চোখ বন্ধ করলেই যেন ভেসে ওঠে বিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপের ছবি, যেখানে জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃত্যু। আল জাজিরা আরবি জানায়, ভোরের অন্ধকারে কিজান রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের তাবু লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী চালায় আচমকা বোমা হামলা। বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন নারী-শিশুসহ বহু মানুষ। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ হাজার ২১ জন ফিলিস্তিনি। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার। গাজার সরকারি মিডিয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো নিখোঁজ রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তাদের অনেকেই আর জীবিত নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গাজা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বান উপেক্ষা করে প্রতিদিনের হামলা আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে মানবিক পরিস্থিতিকে। শান্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে একটি ক্ষতবিক্ষত জাতি।