ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 157

ছবি সংগৃহীত

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের একটি আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজা প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ তোলেন।
তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক ওই জেলায় বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন  ঈদ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এমপির

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে গত ১৩ এপ্রিল আমির হামজাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
উক্ত নোটিশে জেলা প্রশাসক ঠিক কাকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তার নাম ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের জন্য তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর অভিযোগ তোলা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই বক্তব্য সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদাহানি করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত আজ অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রশাসনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনস্বার্থে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের একটি আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজা প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ তোলেন।
তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক ওই জেলায় বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন  আশুলিয়ায় মৃতদেহ পোড়ানো মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে গত ১৩ এপ্রিল আমির হামজাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
উক্ত নোটিশে জেলা প্রশাসক ঠিক কাকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তার নাম ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের জন্য তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর অভিযোগ তোলা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই বক্তব্য সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদাহানি করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত আজ অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রশাসনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনস্বার্থে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।