ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে ১৫০ শিক্ষার্থী; মানতে হবে ৬ শর্ত অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি রুখতে কঠোর তদারকির আশ্বাস ডা. জাহেদ উর রহমানের বাগেরহাটের ফকিরহাটে র‍্যাবের হানা: ১৩ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ‘নতুন তাস’ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান; ফুরিয়ে আসছে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি স্থায়ী চুক্তির আগে ইরানি বন্দরে অবরোধ প্রত্যাহারে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে অচল ঢাকা, কেন্দ্রে পৌঁছাতেও হিমশিম শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা থেকে গায়েব ৪ লাখ শিক্ষার্থী হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নাকচ ইরানের

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 23

ছবি সংগৃহীত

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের একটি আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজা প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ তোলেন।
তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক ওই জেলায় বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন  অবৈধ পথে ভারত পাড়ি দেওয়া সাবেক এমপির মৃত্যু, দেশে ফিরলো মরদেহ

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে গত ১৩ এপ্রিল আমির হামজাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
উক্ত নোটিশে জেলা প্রশাসক ঠিক কাকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তার নাম ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের জন্য তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর অভিযোগ তোলা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই বক্তব্য সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদাহানি করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত আজ অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রশাসনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনস্বার্থে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের একটি আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজা প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ তোলেন।
তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক ওই জেলায় বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন  স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে গত ১৩ এপ্রিল আমির হামজাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
উক্ত নোটিশে জেলা প্রশাসক ঠিক কাকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তার নাম ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের জন্য তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর অভিযোগ তোলা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই বক্তব্য সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদাহানি করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত আজ অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রশাসনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনস্বার্থে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।