ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

অধিকৃত ফিলিস্তিনি জলসীমায় গ্যাস অনুসন্ধানে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করছে আজারবাইজান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 495

ছবি: সংগৃহীত

 

আজারবাইজান অধিকৃত ফিলিস্তিনি উপকূলীয় সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সোমবার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, যেখানে আজারবাইজানের অর্থমন্ত্রী ইসরায়েল সফর করবেন এবং ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এলি কোহেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

চুক্তির আওতায় যে অনুসন্ধান অঞ্চল নির্ধারিত হয়েছে, তাকে “প্রথম গ্রুপ” নামে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা প্রায় ১,৭০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত। তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই অঞ্চল, যা বর্তমানে ইসরায়েলি দখলে থাকা ফিলিস্তিনি জলসীমার অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন  গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় নিহত ১১০ ফিলিস্তিনি

এই চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, কারণ অধিকৃত অঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধান করা ফিলিস্তিনিদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলতে পারে বিভিন্ন পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও আজারবাইজানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েল আজারবাইজান থেকে তেল আমদানিতে ষষ্ঠ বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে অবস্থান করেছিল। সে সময় দেশটি আজারবাইজান থেকে ৭১৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের তেল কিনেছিল।

এই চুক্তি নিয়ে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে এই ধরনের চুক্তি অধিকৃত অঞ্চলে সম্পদ ব্যবহারের নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করতে পারে।

বিশ্ব রাজনীতিতে ইসরায়েল ও আজারবাইজানের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে, সেটি সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অধিকৃত ফিলিস্তিনি জলসীমায় গ্যাস অনুসন্ধানে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করছে আজারবাইজান

আপডেট সময় ১১:০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

আজারবাইজান অধিকৃত ফিলিস্তিনি উপকূলীয় সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সোমবার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, যেখানে আজারবাইজানের অর্থমন্ত্রী ইসরায়েল সফর করবেন এবং ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এলি কোহেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

চুক্তির আওতায় যে অনুসন্ধান অঞ্চল নির্ধারিত হয়েছে, তাকে “প্রথম গ্রুপ” নামে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা প্রায় ১,৭০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত। তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই অঞ্চল, যা বর্তমানে ইসরায়েলি দখলে থাকা ফিলিস্তিনি জলসীমার অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে কনস্টাসের ঝলক: বুমরাহকে ছক্কা

এই চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, কারণ অধিকৃত অঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধান করা ফিলিস্তিনিদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলতে পারে বিভিন্ন পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও আজারবাইজানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েল আজারবাইজান থেকে তেল আমদানিতে ষষ্ঠ বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে অবস্থান করেছিল। সে সময় দেশটি আজারবাইজান থেকে ৭১৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের তেল কিনেছিল।

এই চুক্তি নিয়ে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে এই ধরনের চুক্তি অধিকৃত অঞ্চলে সম্পদ ব্যবহারের নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করতে পারে।

বিশ্ব রাজনীতিতে ইসরায়েল ও আজারবাইজানের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে, সেটি সময়ই বলে দেবে।