ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

এটা নিছক পাগলামি’ যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার ধারণা উড়িয়ে দিলেন কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • / 393

ছবি: সংগৃহীত

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকার মার্ক কার্নি। শুক্রবার (১৪ মার্চ) গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমনের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথগ্রহণের পর কার্নি বলেন, “কানাডা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে না,” এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ৫১তম অঙ্গরাজ্য ধারণাকে ‘পাগলামি’ বলে আখ্যা দেন।

এদিন শপথগ্রহণের পর কার্নি গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে হাত মেলান এবং পরে এক ফটোসেশনে অংশ নেন। এরপর, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন তিনি। কার্নির নতুন মন্ত্রিসভায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আন্তঃসরকার সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডমিনিক লেব্লাঙ্ক এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেইন। সাবেক অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এখন পরিবহন ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  কানাডায় আটক বাবা সিদ্দিক হত্যা মামলার পলাতক আসামি জিশান আখতার

শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, মার্ক কার্নি জানান, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবো না,” এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কূটনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী।

এটি কানাডার লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ বছরের পর পরিবর্তন। গত রবিবার দলের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচিত করেন, যেখানে মার্ক কার্নি ১,৩১,৬৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, লিবারেল পার্টির প্রধান হবার পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও তাঁর কাঁধে আসে।

মার্ক কার্নি ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এরপর তিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ১২০তম গভর্নর হিসেবেও নেতৃত্ব দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এটা নিছক পাগলামি’ যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার ধারণা উড়িয়ে দিলেন কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকার মার্ক কার্নি। শুক্রবার (১৪ মার্চ) গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমনের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথগ্রহণের পর কার্নি বলেন, “কানাডা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে না,” এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ৫১তম অঙ্গরাজ্য ধারণাকে ‘পাগলামি’ বলে আখ্যা দেন।

এদিন শপথগ্রহণের পর কার্নি গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে হাত মেলান এবং পরে এক ফটোসেশনে অংশ নেন। এরপর, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন তিনি। কার্নির নতুন মন্ত্রিসভায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আন্তঃসরকার সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডমিনিক লেব্লাঙ্ক এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেইন। সাবেক অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এখন পরিবহন ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  টিভি উপস্থাপক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী  হলেন পিট হেগসেথ

শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, মার্ক কার্নি জানান, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবো না,” এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কূটনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী।

এটি কানাডার লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ বছরের পর পরিবর্তন। গত রবিবার দলের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচিত করেন, যেখানে মার্ক কার্নি ১,৩১,৬৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, লিবারেল পার্টির প্রধান হবার পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও তাঁর কাঁধে আসে।

মার্ক কার্নি ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এরপর তিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ১২০তম গভর্নর হিসেবেও নেতৃত্ব দিয়েছেন।