ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট, গ্রেপ্তারের পর নেওয়া হলো হেফাজতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 384

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের জন্য নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে দুতের্তেকে একটি বিমানে তোলা হয়। এদিকে, তার মেয়ে ভেরোনিকা ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানান, “আমার বাবার স্বাস্থ্যগত অবস্থার কথা না ভেবে তাকে জোর করে বিমানে তোলা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  জামিননামা ছাড়াই কারাগার থেকে মুক্ত হত্যা মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার

রদ্রিগো দুতের্তের আরেক মেয়ে, ফিলিপাইনের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তে বলেন, “এই মুহূর্তে, আমার বাবাকে জোরপূর্বক হেগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কোনো ন্যায়বিচার নয়; এটি অত্যাচার এবং নিপীড়ন।”

৭৯ বছর বয়সী দুতের্তে মঙ্গলবার গভীর রাতে হংকং থেকে ফিলিপাইনে ফিরে আসেন। তখন রাজধানী ম্যানিলার প্রধান বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

রদ্রিগো দুতের্তে দীর্ঘ ছয় বছর ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এর আগে দাবাও শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে পুলিশের নথিতে ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। তবে, দুতের্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আদালতে তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ, যা তার শাসনামলে মাদকবিরোধী অভিযানের অতি সহিংস পন্থার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে করা হয়েছে। তার শাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার পর, এই মামলা আন্তর্জাতিক স্তরে ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট, গ্রেপ্তারের পর নেওয়া হলো হেফাজতে

আপডেট সময় ০১:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের জন্য নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে দুতের্তেকে একটি বিমানে তোলা হয়। এদিকে, তার মেয়ে ভেরোনিকা ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানান, “আমার বাবার স্বাস্থ্যগত অবস্থার কথা না ভেবে তাকে জোর করে বিমানে তোলা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ

রদ্রিগো দুতের্তের আরেক মেয়ে, ফিলিপাইনের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তে বলেন, “এই মুহূর্তে, আমার বাবাকে জোরপূর্বক হেগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কোনো ন্যায়বিচার নয়; এটি অত্যাচার এবং নিপীড়ন।”

৭৯ বছর বয়সী দুতের্তে মঙ্গলবার গভীর রাতে হংকং থেকে ফিলিপাইনে ফিরে আসেন। তখন রাজধানী ম্যানিলার প্রধান বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

রদ্রিগো দুতের্তে দীর্ঘ ছয় বছর ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এর আগে দাবাও শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে পুলিশের নথিতে ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। তবে, দুতের্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আদালতে তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ, যা তার শাসনামলে মাদকবিরোধী অভিযানের অতি সহিংস পন্থার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে করা হয়েছে। তার শাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার পর, এই মামলা আন্তর্জাতিক স্তরে ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।