তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- আপডেট সময় ০৫:২৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / 76
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে গিয়ে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে তাঁর অফিস কক্ষে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতেই ইতালির রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত তথ্যমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকারকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, বর্তমানে ইতালিতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই প্রবাসীরা তাদের কঠোর শ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইতালি উভয় দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্রপথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দুই দেশের এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পছন্দের গন্তব্য উল্লেখ করে তিনি সমুদ্রপথের ঝুঁকি এড়াতে এবং বৈধ পন্থাকে উৎসাহিত করতে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার জন্য ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
এর পাশাপাশি গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং আধুনিক সম্প্রচার প্রযুক্তির উন্নয়নে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন তথ্যমন্ত্রী।
তিনি এ ক্ষেত্রে ইতালির উন্নত অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে ‘নলেজ শেয়ারিং’ বা জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থান ও অভিবাসন বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ইতালির রাষ্ট্রদূত এ প্রসঙ্গে জানান যে বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে বৈধভাবে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে এবং বিগত মাত্র এক বছরেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বৈধ অভিবাসী হিসেবে ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।























