ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

কন্যাসন্তান হওয়ায় ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারিকে ইরানের অভিনন্দন ও কড়া সমালোচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 89

ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের সর্বকনিষ্ঠ প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট কন্যাসন্তানের মা হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে এই অভিনন্দনের আড়ালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে মার্কিন হামলায় নিহত দেড় শতাধিক শিশুর করুণ স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তাঁর কঠোর সমালোচনা করেছে দেশটি।

রোববার (১০ মে) আর্মেনিয়ায় নিযুক্ত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লেভিটের পোস্ট শেয়ার করে এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

সম্প্রতি ২৮ বছর বয়সী লেভিট তাঁর দ্বিতীয় সন্তান ভিভিয়ানার জন্মের খবর ও ছবি এক্সে শেয়ার করেন। সেই পোস্টটি রি-পোস্ট করে ইরানি দূতাবাস লিখেছে, “আপনাকে অভিনন্দন। শিশুরা নিষ্পাপ ও ভালোবাসার পাত্র। মিনাবের স্কুলে আপনার বস (ডোনাল্ড ট্রাম্প) যে ১৬৮ শিশুকে হত্যা করেছেন এবং আপনি যেটির সাফাই গেয়েছেন, তারাও শিশু ছিল। আপনি যখন আপনার সন্তানকে চুম্বন করবেন, তখন ওই শিশুদের মায়েদের কথা ভাববেন।”

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৭৩ জন ছেলে ও ৪৭ জন মেয়ে শিশুসহ মোট ১৬৮ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ কর্মীরাও ছিলেন।

মিনাবের এই হামলা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছিলেন যে ইরান নিজেই এই হামলার জন্য দায়ী। এমনকি ইরানের কাছে টমাহক মিসাইল না থাকলেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তাদের কাছে এই মারণাস্ত্র আছে। অন্যদিকে, ক্যারোলিন লেভিট তখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে বলেছিলেন যে তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না।

তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ভুলের কারণে একটি মার্কিন ‘টমাহক ক্রুজ মিসাইল’ ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আঘাত হেনেছিল। ১১ মার্চ সামরিক তদন্তে এই প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হলেও ট্রাম্প তা এড়িয়ে যান। লেভিটের মাতৃত্বের এই খুশির মুহূর্তে সেই বিয়োগান্তক ঘটনাটি সামনে এনে ইরান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কন্যাসন্তান হওয়ায় ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারিকে ইরানের অভিনন্দন ও কড়া সমালোচনা

আপডেট সময় ০৩:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

হোয়াইট হাউসের সর্বকনিষ্ঠ প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট কন্যাসন্তানের মা হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে এই অভিনন্দনের আড়ালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে মার্কিন হামলায় নিহত দেড় শতাধিক শিশুর করুণ স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তাঁর কঠোর সমালোচনা করেছে দেশটি।

রোববার (১০ মে) আর্মেনিয়ায় নিযুক্ত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লেভিটের পোস্ট শেয়ার করে এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

সম্প্রতি ২৮ বছর বয়সী লেভিট তাঁর দ্বিতীয় সন্তান ভিভিয়ানার জন্মের খবর ও ছবি এক্সে শেয়ার করেন। সেই পোস্টটি রি-পোস্ট করে ইরানি দূতাবাস লিখেছে, “আপনাকে অভিনন্দন। শিশুরা নিষ্পাপ ও ভালোবাসার পাত্র। মিনাবের স্কুলে আপনার বস (ডোনাল্ড ট্রাম্প) যে ১৬৮ শিশুকে হত্যা করেছেন এবং আপনি যেটির সাফাই গেয়েছেন, তারাও শিশু ছিল। আপনি যখন আপনার সন্তানকে চুম্বন করবেন, তখন ওই শিশুদের মায়েদের কথা ভাববেন।”

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৭৩ জন ছেলে ও ৪৭ জন মেয়ে শিশুসহ মোট ১৬৮ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ কর্মীরাও ছিলেন।

মিনাবের এই হামলা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছিলেন যে ইরান নিজেই এই হামলার জন্য দায়ী। এমনকি ইরানের কাছে টমাহক মিসাইল না থাকলেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তাদের কাছে এই মারণাস্ত্র আছে। অন্যদিকে, ক্যারোলিন লেভিট তখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে বলেছিলেন যে তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না।

তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ভুলের কারণে একটি মার্কিন ‘টমাহক ক্রুজ মিসাইল’ ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আঘাত হেনেছিল। ১১ মার্চ সামরিক তদন্তে এই প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হলেও ট্রাম্প তা এড়িয়ে যান। লেভিটের মাতৃত্বের এই খুশির মুহূর্তে সেই বিয়োগান্তক ঘটনাটি সামনে এনে ইরান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।