ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইরানের শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনায় ট্রাম্প ও মার্কিন নীতিনির্ধারকরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 113

ছবি সংগৃহীত

 

চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে তেহরানের দেওয়া একটি প্রস্তাব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের আলোচনার টেবিলে রয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন প্রশাসন এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আজ সকালে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকটি চলমান থাকা অবস্থায় তিনি নিশ্চিত করেন যে, ইরানের পাঠানো প্রস্তাবের প্রতিটি দিক নিয়ে সেখানে বিস্তারিত এবং নিবিড় আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুন  চুক্তি নিয়ে ইরানের বক্তব্য নাকচ ট্রাম্পের

জানা গেছে, ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো তেহরানের এই প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা নিরসন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই সমঝোতার ক্ষেত্রে ইরান একটি বিশেষ শর্ত জুড়ে দিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিতর্কিত বিষয়গুলো বর্তমানে আলোচনার বাইরে রেখে ভবিষ্যতের জন্য স্থগিত রাখতে হবে।

ইরানের পক্ষ থেকে এই নমনীয়তা দেখানো হলেও পারমাণবিক ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান পূর্বের মতোই অনড় রয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। মুখপাত্র লেভিট উল্লেখ করেছেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমাগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট এবং এ বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে। মূলত পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের শর্ত দিয়ে ইরান অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ কমাতে চাইছে কি না, তা নিয়ে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের গতিপথ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনায় ট্রাম্প ও মার্কিন নীতিনির্ধারকরা

আপডেট সময় ০৮:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে তেহরানের দেওয়া একটি প্রস্তাব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের আলোচনার টেবিলে রয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন প্রশাসন এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আজ সকালে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকটি চলমান থাকা অবস্থায় তিনি নিশ্চিত করেন যে, ইরানের পাঠানো প্রস্তাবের প্রতিটি দিক নিয়ে সেখানে বিস্তারিত এবং নিবিড় আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুন  রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

জানা গেছে, ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো তেহরানের এই প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা নিরসন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই সমঝোতার ক্ষেত্রে ইরান একটি বিশেষ শর্ত জুড়ে দিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিতর্কিত বিষয়গুলো বর্তমানে আলোচনার বাইরে রেখে ভবিষ্যতের জন্য স্থগিত রাখতে হবে।

ইরানের পক্ষ থেকে এই নমনীয়তা দেখানো হলেও পারমাণবিক ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান পূর্বের মতোই অনড় রয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। মুখপাত্র লেভিট উল্লেখ করেছেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমাগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট এবং এ বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে। মূলত পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের শর্ত দিয়ে ইরান অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ কমাতে চাইছে কি না, তা নিয়ে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের গতিপথ।