ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ফের মেলোনিকে খোঁচা দিলেন ট্রাম্প কলকাতায় জীবিত মুসলিম কিশোরীকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল: পুলিশ সাভারের ককটেল বিস্ফোরণে প্রশাসনের ইন্ধনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের সাভারে এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৩ বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্রে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা শ্রীলঙ্কার কারাগারে দাঙ্গা: নিহত ২৫, আহত শতাধিক ব্রাজিলের হারে কুষ্টিয়া-হবিগঞ্জে দুই যুবকের আত্মহত্যা, তদন্তে পুলিশ বাবার মতো বেতনের অংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী—বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী” অন্যের ওপর নির্ভর নয়, নিজস্ব উদ্যোগেই উন্নয়ন: মির্জা ফখরুল গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক রক্ষায় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বরিশালে ২ বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 72

ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নের দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালে এই আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়, দুপুরে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বিকট শব্দে বজ্রপাত শুরু হয়। চরএকরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম এবং সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

আহত শিক্ষার্থী ফাতেমা বেগম দোলা জানায়, “হঠাৎ বিকট শব্দে মনে হয়েছিল বিদ্যালয়ের ওপরেই বজ্রপাত হয়েছে, এরপর মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার পর আর কিছু মনে নেই।”

আরও পড়ুন  সিলেটে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫৫ বছর বয়সী জেলের মৃত্যু

একই সময়ে উপজেলার আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বজ্রপাতের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেও বিকট শব্দে ভয় পেয়ে আরও আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির জানান, বজ্রপাতের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। তবে দ্রুত তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, দাদপুর বিদ্যালয় থেকে আটজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে তাদের কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। তিনি বলেন, “মূলত বজ্রপাতের সরাসরি আঘাতের চেয়ে প্রচণ্ড শব্দ ও শক (আতঙ্ক) থেকে তারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝড়ের সময় সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকার এবং বজ্রপাত শুরু হলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশালে ২ বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত

আপডেট সময় ১১:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নের দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালে এই আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়, দুপুরে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বিকট শব্দে বজ্রপাত শুরু হয়। চরএকরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম এবং সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

আহত শিক্ষার্থী ফাতেমা বেগম দোলা জানায়, “হঠাৎ বিকট শব্দে মনে হয়েছিল বিদ্যালয়ের ওপরেই বজ্রপাত হয়েছে, এরপর মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার পর আর কিছু মনে নেই।”

আরও পড়ুন  গাজীপুরে লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২, আহত আরো কয়েকজন

একই সময়ে উপজেলার আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বজ্রপাতের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেও বিকট শব্দে ভয় পেয়ে আরও আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির জানান, বজ্রপাতের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। তবে দ্রুত তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, দাদপুর বিদ্যালয় থেকে আটজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে তাদের কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। তিনি বলেন, “মূলত বজ্রপাতের সরাসরি আঘাতের চেয়ে প্রচণ্ড শব্দ ও শক (আতঙ্ক) থেকে তারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝড়ের সময় সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকার এবং বজ্রপাত শুরু হলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।