ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত; সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস দিল্লিতে জয়শঙ্কর-খলিলুর বৈঠক: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ঘোষণা আল্লু অর্জুনের বাড়ির সামনে তুলকালাম, ভিড় সামলাতে পুলিশের লাঠিচার্জ রাজশাহী মেডিকেলে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান সুরক্ষিত সকল প্রাণ আগামীকাল থেকে ৪ দিন ইন্টারনেটে ধীরগতির শঙ্কা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ঘোষণা বিএসসিপিএলসির ‘বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’: সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ মা হারালেন অভিনেত্রী জেরিন খান সেন্ট কিটস ও নেভিস ছোট দ্বীপ, বড় সৌন্দর্য শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার

ইরানের যুদ্ধবিরতিকে ‘শতভাগ বিজয়’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 25

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের সাথে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ইরান শান্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এই দাবি করেন। তিনি বলেন, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একশ ভাগ জয় এবং এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

সংঘাতের শুরু থেকেই ইরানকে কড়া চাপে রেখেছিলেন ট্রাম্প। গত মার্চে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো ১৫ দফার মূল শান্তি প্রস্তাবটি তেহরান শুরুতে প্রত্যাখ্যান করলেও, পরে এর সংশোধিত রূপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ছিল, সেখানে ইরান আপাতত দুই সপ্তাহের জন্য নতিস্বীকার করেছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, সমঝোতায় না এলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেশটিকে কার্যত ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চরম হুমকির মুখেই ইরান সাময়িক পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছুঁতে পারে ৩৭০০ ডলার

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, দুই সপ্তাহের এই বিরতির মধ্যে ইরানকে স্থায়ী চুক্তিতে আনতে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

যদি এই সময়ের মধ্যে তেহরান আলোচনার টেবিলে চূড়ান্ত নমনীয়তা না দেখায়, তবে ট্রাম্প তার আগের কঠোর অবস্থানে ফিরে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি রহস্য বজায় রেখে কেবল ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, এর আগেও ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি তুলে হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর টোল বসানোর প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

আপাতত দুই সপ্তাহের এই শান্তিকালীন সময়কে নিজের পররাষ্ট্রনীতির বড় সাফল্য হিসেবেই তুলে ধরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের যুদ্ধবিরতিকে ‘শতভাগ বিজয়’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৪৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের সাথে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ইরান শান্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এই দাবি করেন। তিনি বলেন, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একশ ভাগ জয় এবং এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

সংঘাতের শুরু থেকেই ইরানকে কড়া চাপে রেখেছিলেন ট্রাম্প। গত মার্চে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো ১৫ দফার মূল শান্তি প্রস্তাবটি তেহরান শুরুতে প্রত্যাখ্যান করলেও, পরে এর সংশোধিত রূপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ছিল, সেখানে ইরান আপাতত দুই সপ্তাহের জন্য নতিস্বীকার করেছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, সমঝোতায় না এলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেশটিকে কার্যত ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চরম হুমকির মুখেই ইরান সাময়িক পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ব্লিঙ্কেন ও সুলিভানের নিরাপত্তা অনুমতি বাতিল

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, দুই সপ্তাহের এই বিরতির মধ্যে ইরানকে স্থায়ী চুক্তিতে আনতে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

যদি এই সময়ের মধ্যে তেহরান আলোচনার টেবিলে চূড়ান্ত নমনীয়তা না দেখায়, তবে ট্রাম্প তার আগের কঠোর অবস্থানে ফিরে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি রহস্য বজায় রেখে কেবল ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, এর আগেও ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি তুলে হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর টোল বসানোর প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

আপাতত দুই সপ্তাহের এই শান্তিকালীন সময়কে নিজের পররাষ্ট্রনীতির বড় সাফল্য হিসেবেই তুলে ধরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।